রবিবার ২৮ জুন ২০২৬
‘বড় হাসপাতালগুলোর চাপ কমাতে জেলা হাসপাতালগুলোকে পূর্ণাঙ্গ করা হবে’
প্রকাশ: রোববার, ২৮ জুন, ২০২৬, ২:৩৭ পিএম   (ভিজিট : ৩)
রাজধানীর বড় হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ কমাতে এবং ওয়ার্ড ও বারান্দায় রোগীর উপচেপড়া ভিড় দূর করতে জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোকে পূর্ণাঙ্গ সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন করে গড়ে তোলার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার।

রবিবার (২৮ জুন) সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা জানান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের বড় মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, সদর হাসপাতাল কিংবা বড় বড় হাসপাতালগুলো ঢাকায়। পাঁচশ রোগীর হাসপাতালে দুই হাজার রোগীকে চিকিৎসা দিতে হয়, রোগীরা বারান্দায় থাকে।

তিনি বলেন, ঢাকার বড় হাসপাতালের এই ভিড়ের সমাধান ওই হাসপাতালে পাবেন না। এই সমস্যার সমাধান হবে যদি আমরা জেলা হাসপাতালগুলোকে পূর্ণাঙ্গ সব সুবিধা দিয়ে তৈরি করতে পারি।মানুষ তাহলে জেলার ভেতরেই তার কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসা পাবে। আমরা সেই ধরনের পরিকল্পনাই করছি।

বাজেটের ভেতরের মানবিক দিকটি দেখার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনার যে ভাইটি মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে হার্ট অপারেশনের অপেক্ষায় আছে, এই বাজেট তার প্রাণ রক্ষার বাজেট। যে পাঁচ লাখের বেশি প্রবীণ মানুষ ছানি রোগের কারণে অন্ধত্ব বরণ করে আছেন, এটি তাদের সাশ্রয়ী মূল্যে দৃষ্টি ফিরে পাওয়ার বাজেট। এটি ঢাকার হাসপাতালের বারান্দায় ঘুমানো ক্যান্সার রোগীর জীবন ও জমি রক্ষার বাজেট।

বাজেটকে কেবল অর্থ ও সংখ্যার খেলা মনে না করার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত ১৫ বছরের দুঃশাসনে আমাদের অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছিল। গণ-আন্দোলনের পর গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে এই সংসদ গঠিত হয়েছে। তাই সীমিত সম্পদের মধ্যে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করাই সরকারের দায়িত্ব।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ভেঙে পড়া এই স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে এবার স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ গত বছরের ৩৫ হাজার কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে প্রায় দ্বিগুণ অর্থাৎ ৬৯ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে।

ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবার জন্য একটি সহজলভ্য, সাশ্রয়ী এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলাই এই বাজেটের মূল লক্ষ্য।

এম এ মুহিত বলেন, বাংলাদেশে মোট মৃত্যুর ৭১ ভাগই ঘটছে ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন বা কিডনি রোগের মতো অসংক্রামক ব্যাধির কারণে। এর ওপর আরেকটি ভয়ঙ্কর ব্যাপার হলো, চিকিৎসা খরচের ৭৯ শতাংশই রোগীকে নিজের পকেট (আউট অব পকেট এক্সপেন্ডিচার) থেকে দিতে হচ্ছে। যেখানে থাইল্যান্ডে এটি মাত্র ১০ শতাংশ এবং মালদ্বীপে ১৮ শতাংশ।

এই প্রেক্ষাপটে সরকার অপরিকল্পিতভাবে হাসপাতাল ভবন নির্মাণ না করে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা, রেফারাল নেটওয়ার্ক তৈরি এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে শক্তিশালী করতে জোর দিচ্ছে বলে জানান তিনি।

আজকালের খবর/বিএস 









Advertisement
Loading...
Loading...
Follow Us
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রাপা প্লাজা( ৭ম তলা), রোড-২৭ (পুরাতন) ১৬ (নতুন), ধানমন্ডি, ঢাকা -১২০৯।
ফোন: ৪১০২১৯১৫-৬, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮, ই-মেইল : বার্তা বিভাগ- newsajkalerkhobor$gmail.com বিজ্ঞাপন- addajkalerkhobor$gmail.com
কপিরাইট © আজকালের খবর সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
Follow Us
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রাপা প্লাজা( ৭ম তলা), রোড-২৭ (পুরাতন) ১৬ (নতুন), ধানমন্ডি, ঢাকা -১২০৯।
ফোন: ৪১০২১৯১৫-৬, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮, ই-মেইল : বার্তা বিভাগ- newsajkalerkhobor$gmail.com বিজ্ঞাপন- addajkalerkhobor$gmail.com
কপিরাইট © আজকালের খবর সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft