![]() |

চিকিৎসা শিক্ষার আধুনিকায়ন, অগ্রগামী হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা এবং স্বাস্থ্যখাতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মর্যাদাপূর্ণ ‘গ্লোবাল হেলথ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ অর্জন করেছেন ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী।
বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর দ্য ওয়েস্টিন ঢাকা হোটেলে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরী এমপি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অর্থকণ্ঠ ও বিজনেস আমেরিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক এনামুল হক এনাম। এনআরবি ওয়ার্ল্ড, বিজনেস আমেরিকা ম্যাগাজিন এবং সাপ্তাহিক অর্থকণ্ঠের যৌথ উদ্যোগে বিশেষ সেমিনার ও অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, নৈতিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকরণ এবং জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন। ২০০৪ সালে তৎকালীন আয়েশা মেমোরিয়াল স্পেশালাইজড হাসপাতালে যোগদানের পর তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতা ও দূরদর্শী নেতৃত্বে ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠানটি দেশের অন্যতম শীর্ষ চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রূপান্তরিত হয়।
তাঁর নেতৃত্বে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বর্তমানে ইউনিভার্সেল কার্ডিয়াক হাসপাতাল, ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ এবং ইউনিভার্সেল নার্সিং কলেজসহ একটি বৃহৎ ও স্বনামধন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) এবং বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএমসিএ)-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।
পুরস্কার গ্রহণের পর ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী তাঁর এই সাফল্যের পেছনে বড় বোন ও ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান প্রীতি চক্রবর্তীর নিরলস সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি স্ত্রী নীতা চক্রবর্তী এবং একমাত্র পুত্র দিব্যময় চক্রবর্তী (রিজু)-কে নিয়ে ঢাকায় বসবাস করেন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার উচালিয়া পাড়ার স্বর্গীয় আশুতোষ চক্রবর্তী ও পূষ্প চক্রবর্তীর পুত্র।
উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে "বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পে বায়োটেকনোলজি ও বায়োসিমিলার ওষুধের উন্নয়নে প্রবাসী বাংলাদেশি (এনআরবি) বিজ্ঞানীদের ভূমিকা" শীর্ষক মূল প্রতিপাদ্যের ওপর ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে "বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের ১০০ শীর্ষ ব্যক্তিত্ব" শীর্ষক বিশেষ স্মারক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
অনুষ্ঠানে দেশের চিকিৎসা ও ওষুধ শিল্পের শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক, করপোরেট ব্যক্তিত্ব এবং গণমাধ্যমের বিশিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আজকালের খবর/ এমকে