গাজামুখী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা (জিএসএফ) মিশনে অংশ নেওয়ার সময় ইসরায়েলের হাতে আটক ২৫ মালয়েশীয় নাগরিককে মুক্ত করতে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার করেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম।
সুমুদ নুসান্তারা কমান্ড সেন্টার (এসএনসিসি)-এর মহাপরিচালক দাতুক সানি আরাবি আবদুল আলিম আরাবি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বর্তমানে তুরস্ক ও স্পেনসহ বিভিন্ন ইউরোপীয় দেশের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখে মুক্তির প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, তুরস্ক, স্পেনসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে আটক সব মানবাধিকারকর্মীকে মুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সানি আরাবি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক জলসীমায় পরিচালিত মানবিক সহায়তা মিশনে ইসরায়েলের বাধা ও অপহরণের ঘটনাকে এসএনসিসি “জলদস্যুসুলভ, কাপুরুষোচিত এবং আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন” হিসেবে বিবেচনা করছে।
তিনি বলেন, এই ঘটনা জাতিসংঘের সমুদ্র আইন লঙ্ঘনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক জলসীমায় পরিচালিত মানবিক মিশনের স্বাধীনতার নীতিরও গুরুতর লঙ্ঘন।
এসএনসিসির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, আটক হওয়া সব কর্মীকে যেকোনো ধরনের নির্যাতন, নিপীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে সুরক্ষা দিতে হবে এবং তাদের প্রতি কোনো অমানবিক আচরণ করা যাবে না।
উল্লেখ্য, গতকাল আন্তর্জাতিক জলসীমায় অবস্থানকালে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা (জিএসএফ) মিশনে অংশ নেওয়া ৩৫০ জন মানবাধিকারকর্মীর মধ্যে ২৫ জন মালয়েশীয় নাগরিককে ইসরায়েল আটক করে। জানা গেছে, তাদের বর্তমানে পানির ওপর কারাগার হিসেবে পরিচিত একটি জাহাজে রাখা হয়েছে। তবে পরবর্তীতে তাদের কোথায় নেওয়া হবে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আজকালের খবর/বিএস