অভিনেতা ও সাবেকমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের আয়কর নথি জব্দের আদেশ দেওয়া হয়েছে। দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে বুধবার (৮ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ফেরদৌস রহমান নূরের আয়কর নথি জব্দ চেয়ে আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, আসামি আসাদুজ্জামান নূরের বিরুদ্ধে অসৎ উদ্দেশ্যে নিজ ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ৫ কোটি ৩৭ লাখ এক হাজার ১৯০টাকা মূল্যের সম্পদের মালিকানা অসাধু উপায়ে অর্জন করে দখলে রাখেন। আসামির নামে ১৯টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের হিসাবে ১৫৮ কোটি ৭৮ লাখ ৪৭ হাজার ৮৯৮ টাকার সন্দেজনক লেনদেন হয়েছে।
মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসাদুজ্জামান নূরের নামে শুরু থেকে সর্বশেষ পর্যন্ত আয়কর নথির স্থায়ী অংশ ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র জব্দ করে পর্যালোচনা করা একান্ত প্রয়োজন।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের গ্রেপ্তারের অভিযানের মধ্যে সাবেক সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরকে ২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আছেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়কার হত্যাকাণ্ডের মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছে।
এর পাশাপাশি গত ৩০ জুলাই পাঁচ কোটি ৩৭ লাখ টাকার ‘অবৈধ সম্পদ অর্জন’ এবং ১৫৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকার বেশি ‘মানি লন্ডারিংয়ের’ অভিযোগে নূরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।
পরে একই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর আসাদুজ্জামান নূরের নামে থাকা চারটি ফ্ল্যাট ও ১০ কাঠা জমি জব্দের আদেশ হয়। একইসঙ্গে তার ১৬টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দেওয়া হয়।
আজকালের খবর/বিএস