সোমবার ১৮ মে ২০২৬
শিগগিরিই আসছে যুবদলের কমিটি
যুবদলের আংশিক নয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি চান নেতাকর্মীরা
প্রকাশ: সোমবার, ১৬ মে, ২০২২, ৮:২০ পিএম  আপডেট: ১৭.০৫.২০২২ ৪:০৮ পিএম  (ভিজিট : ২৪৪৯)
#বর্তমান কমিটির সঙ্গে তারেক রহমানের বিদায়ী সাক্ষাৎ
#আতঙ্কে বিদায়ী কমিটির শীর্ষপদধারীরা
#সভাপতি হতে চান ১৬ নেতা  
তারেক সালমান:
জাতীয়তাবাদী যুবদল ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিএনপির অন্যতম অঙ্গ সংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদলের নতুন নেতৃত্ব আসছে শিগগিরিই। লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যেকোনো সময় দলের আন্দোলনের অন্যতম এ সংগঠনের নতুন কমিটি ঘোষণা করবেন। যুবদলের নেতৃত্ব প্রত্যাশী মোট ৩৫১জন নেতার তালিকা ও আন্দোলন-সংগ্রামে তাদের ‘পারফর্মেন্স’সহ সকল আমলনামা জমা আছে। বিগত পবিত্র রমজানের দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ ৪ এপ্রিল এ তালিকা তার কাছে জমা দেওয়া হয়। সংগঠনের বর্তমান নেতৃত্ব থেকে মোট ১৬জন নিজেকে যুবদলের শীর্ষপদ প্রার্থী বলে ঘোষণা করেছেন। তালিকা থেকে যাছাই-বাছাই করে চলতি সপ্তাহে অথবা ‘খুব দ্রুততম’ সময়ে তিনি নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করবেন বলে বিএনপি ও যুবদল সূত্রে জানা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যুবদলের শীর্ষ দুই পদ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ পেতে এক ডজন নেতা দীর্ঘদিন ধরে জোর লবিং চালিয়ে আসছেন। এদের অধিকাংশই বর্তমান যুবদল ও ছাত্রদলের সাবেক শীর্ষস্থানীয় নেতা। 

জানা গেছে, বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ এই অঙ্গ সংগঠনটির নতুন নেতৃত্ব যে কোনো সময়  ঘোষণা হতে পারে। কমিটির নেতৃত্ব ঠিক করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি ইতোমধ্যে যোগ্য ও পরীক্ষিত নেতাদের বিষয়ে খোঁজ নিয়েছেন। এছাড়া তিনি সংগঠনটির সাবেক কয়েকজন শীর্ষ নেতা ও বর্তমান কেন্দ্রীয় নেতার মতামত নিয়েছেন। তারা যুবদলের বর্তমান ও সাবেক ছাত্রনেতাদের নাম প্রস্তাব করেছেন।

এদিকে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বর্তমান কমিটির ‘সুপার ফাইভ’ নেতৃত্ব সঙ্গে ভার্চুয়ালী মতবিনিময় করেছেন। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে রাত পর্যন্ত নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ মতবিনিময় করেন তিনি। দলের হাইকমান্ডের সঙ্গে এ মতবিনিময়ে অংশ নেন যুবদল সভাপতি সাইফুল আলম নিরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, সিনিয়র সহসভাপতি মোরতাজুল করিম বাদরু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান। যুবদল সংশ্লিষ্ট ও যুবদলের পদপ্রত্যাশী নেতাকর্মীরা এ মতবিনিময়কে বর্তমান নেতৃত্বের ‘বিদায়ী আনুষ্ঠানিকতা’ হিসেবে দেখছেন।

বিএনপির একটি সূত্র জানায়, নতুন কমিটির শীর্ষ পদে নতুন নেতৃত্ব আনার চিন্তাভাবনা চলছে। বর্তমান সভাপতি সাইফুল আলম নিরব থাকছেন না এটি একেবারে নিশ্চিত অর্থাৎ যুবদল থেকে নিরবের নেতৃত্ব এখন অতীত বিষয়। নতুন কমিটিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য আলোচনায় রয়েছেন-সংগঠনটির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, সহ-সভাপতি আলী আকবর চুন্নু, আবদুল মোনায়েম মুন্না, এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন ও সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান। 

এছাড়া সাবেক ছাত্রদল নেতাদের মধ্যে যুবদলের শীর্ষ দুই পদের জন্য আলোচনায় রয়েছেন-ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রাজিব আহসান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন ও সদ্য কারামুক্ত ইসহাক সরকার।

জাতীয়তাবাদী যুবদল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) যুব অঙ্গসংগঠন। বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠার সাথে সাথে ১৯৭৮ সালের ২৭ অক্টোবর জাতীয়তাবাদী যুবদল নামে এ যুব সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্ববায়ক আবুল কাশেম যিনি পরবর্তীতে সভাপতি এবং সাইফুর রহমান প্রথম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
প্রতিষ্ঠার পর ১৯৮৭ সালের ২৩ মার্চ দ্বিতীয়, ১৯৯৩ সালের ৮ অক্টোবর তৃতীয়, ২০০২ সালে চতুর্থ, ২০১০৬ সালের ১ মার্চ পঞ্চম এবং ২০১৭ সালের ৩ জানুয়ারি সংগঠনটির সর্বশেষ ষষ্ঠ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমানে সাইফুল আলম নীরব সভাপতি ও সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৮৭ সালের ২৩ মার্চ যুবদলের কাউন্সিলে সভাপতি নির্বাচিত হন মির্জা আব্বাস ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। ১৯৯৩ সালের ৮ অক্টোবর কাউন্সিলে তারা আবারো নির্বাচিত হন। এক সময়ের তুখোড় এই দুই যুবনেতা এখন বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০২ সালে যুবদলের কাউন্সিলে বরকতউল্লাহ বুলু সভাপতি ও সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১০ সালের ১ মার্চ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও সাইফুল আলম নীরব যথাক্রমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হন। বর্তমানে বুলু বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও আলাল বিএনপির যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১৭ সালের ৩ জানুয়ারি সাইফুল আলম নিরব সভাপতি ও সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সাধারণ সম্পাদক হন।

নিরব-টুকুর নেতৃত্বাধীন যুবদল ৫ বছরেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতে পারেনি। এ নিয়ে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ক্ষোভ বিরাজ করছে। এছাড়া সাবেক ছাত্রনেতাদের অনেককে যুবদলের নেতৃত্বে আনছে চাইছে বিএনপির হাইকমান্ড। এ কারণে যুবদলের কমিটি ভেঙে দিয়ে শিগগিরই নতুন কমিটি দেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় বিএনপির একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে এই তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, এবার ৫ সদস্যের সুপার ফাইভ কিংবা সুপার সেভেন কমিটি ঘোষণা করার সম্ভাবনা থাকলেও নেতাকর্মীদের দাবি পূর্ণাঙ্গ কমিটি। বিগত দিনে আন্দোলন-সংগ্রামে সামনের সারিতে থাকা যুবনেতাদের পাশাপাশি কমিটিতে সাবেক ছাত্রনেতাদের অগ্রাধিকার দিয়ে সংগঠনটির নতুন নেতৃত্ব দেওয়া হবে বলে অধিকাংশ নেতাকর্মীর প্রত্যাশা।  

যুবদলের পদপ্রত্যাশী নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অতীত অভিজ্ঞতা থেকে পোড় খাওয়া অধিকাংশ নেতাকর্মী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে দাবি জানিয়েছেন যাতে তিনি পূর্ণাঙ্গ নতুন কমিটি ঘোষণা করেন। তারা বিএনপির ‘একমাত্র এই সর্বোচ্চ’ নেতার কাছে নিজেদের অতীতের তীক্ত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন। অনেকেই সুপার ফাইভ, সুপার সেভেন কমিটি ঘোষণা করে পরে কমিটি বাণিজ্যর সুযোগ না দিতে তারেক রহমানের কাছে অনুরোধ করেছেন। তারা সুপার ফাইভ বা সেভেন কমিটিকে ‘নগদ’, ‘বিকাশ’ কমিটি বলেও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ করেছেন।   
গেল সপ্তাহের গত মঙ্গলবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যুবদলের কমিটি গঠনের বিষয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের মতামত নেন তারেক রহমান। ওইদিন বেলা ৩টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত ৫১ জন নেতা তাদের ‘সর্বোচ্চ নেতা’র কাছে পৃথকভাবে ভার্চুয়ালি মতামত দেন। তবে এই মতামত প্রক্রিয়ায় যুবদলের বর্তমান কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সিনিয়র সহ-সভাপতি, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদককে রাখা হয়নি।

মতামত দেওয়া একাধিক নেতা দৈনিক আজকালের খবরকে জানান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত  চেয়ারম্যান তাদের আলাদা আলাদা কয়েকটি প্রশ্ন করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রশ্ন হলো-সাংগঠনিকভাবে যুবদলকে কীভাবে শক্তিশালী করা যেতে পারে? এক্ষেত্রে বর্তমান কমিটি রেখে, নাকি নতুন কমিটি করতে হবে? নতুন কমিটিতে কাকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসাবে আপনি যোগ্য মনে করেন? বেশিরভাগ নেতাই নতুন কমিটির পক্ষে মতামত দিয়েছেন।

বর্তমান কমিটির অন্যতম সহসভাপতি আলী আকবর চুন্নু দৈনিক আজকালের খবরকে বলেন, মির্জা আব্বাস ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের নেতৃত্বাধীন কমিটি থেকে দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে যুবদল করে আসছি। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাদের নতুন কমিটির বিষয়ে মতামত জানতে চেয়েছেন। আমি মুক্তভাবে মতামত দিয়ে বলেছি, পুরাতন কমিটি থেকে ও নতুনদের মধ্য থেকে ত্যাগী নেতৃত্ব বাছাই করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করতে। কারণ আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা ভাল নয়। যাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়, তাদের পেছনে পেছনে পদের জন্য নেতাকর্মীদের ধর্ণা দিতে হয়। অনেকে এসব নেতাকর্মীদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধাও নিয়ে থাকে। অর্থ নিয়ে থাকে। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পূর্ণাঙ্গ কমিটি দিলে তাদের সেই অনৈতিক ব্যবসা করতে পারবে না। 

চুন্নু আরো বলেন, তিনি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে নিজেকে যুবদলের সভাপতি পদের প্রার্থী হিসেবে জানিয়েছেন। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বিষয়টি বিবেচনা করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

যুবদলের অন্যতম সহসভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না দৈনিক আজকালের খবরকে বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নতুন কমিটি সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। আমি আমার মতামত ওনাকে জানিয়েছি। 

তিনি বলেন, সামনে আমাদের কঠোর আন্দোলন করতে হবে। সেই আন্দোলনে যাতে যুবদলের নতুন কমিটি প্রত্যাশিত ভূমিকা রাখতে পারে, সেজন্য সৎ, সাহসী, ত্যাগী এবং নির্লোভ নেতৃত্ব দাবি করেছি। আর কমিটি যেন পূর্ণাঙ্গ হয়, সেই আবেদন করেছি। মুন্না জানান, তিনিও যুবদলের নতুন কমিটির শীর্ষ পদের প্রার্থী।   

যুবদলের নতুন কমিটিতে ‘উপযুক্ত’ পদপ্রত্যাশী মহানগর উত্তর যুবদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক হাফিজুর রহমান হাফিজ আজকালের খবরকে বলেন, আমিসহ শত শত সাবেক যুবদল ও ছাত্রদলের নেতারা দীর্ঘদিন যাবত পূর্ণাঙ্গ কমিটির অপেক্ষায় রয়েছেন, তাদের পরিচয় ও প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যে অল্পদিনের জন্য হলেও আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্বেচ্ছাসেবকদলের মতো পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেবেন বলে আমি প্রত্যাশা করি।  

সাবেক ছাত্রদল নেতা তরিকুল ইসলাম টিটু আজকালের খবরকে বলেন, আমরা আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে আবেদন করেছি, তিনি যাতে সম্পূর্ণ নতুন নেতৃত্ব দিয়ে যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেন। কারণ পুরাতনরা দীর্ঘদিনেও নিজেদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারেনি। তারা সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। তাই আমরা বলেছি, একজন সদস্য থেকেও যদি তিনি শীর্ষ নেতৃত্ব ঘোষণা করেন, তাহলেও যুবদল চাঙা হয়ে উঠবে।

টিটু আরো বলেন, পূর্ণাঙ্গ কমিটি না দিলে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা নিজেদের কর্তৃত্ব ধরে রাখতে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করে না। করলেও তারা অনৈতিক পথে অর্থের বিনিময়ে অনেককে পদ দিয়ে থাকে। এটা যাতে না করতে পারে, সেজন্যই আমরা আমাদের নেতার কাছে পূর্ণাঙ্গ কমিটির আবেদন করেছি। কারণ কে বা কারা নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্য তা তার চেয়ে বেশি আর কেউ ভাল জানে না। 

এ বিষয়ে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু দৈনিক আজকালের খবরকে বলেন, নানা প্রতিকুলতার মধ্যেও সারা দেশে যুবদলকে সংগঠিত করতে প্রাণান্ত কাজ করেছি। যুবদলকে শক্তিশালী করতে আন্তরিকভাবে শ্রম, ঘাম দিয়েছি। বর্তমান ফ্যাসিস্ট সরকারের কারা নির্যাতন সহ্য করেছি। এখন হাইকমান্ড যে সিদ্ধান্ত নেবে তা মেনেই রাজনীতি করব।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের প্রতি আমাদের আস্থা রয়েছে। নতুন কমিটি হলে তিনি যোগ্য, ত্যাগীদেরই স্থান করে দেবেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ১৭ জানুয়ারি সাইফুল আলম নিরবকে সভাপতি ও সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে সাধারণ সম্পাদক করে পাঁচ সদস্যের আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় এক মাস পর ১১৪ সদস্যের আবার আংশিক কমিটি  ঘোষণা করা হয়। পূর্ণাঙ্গ না হওয়ায় ওই কমিটি দিয়েই চলছে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যক্রম।

আজকালের খবর/টিএস 










Loading...
Loading...
Follow Us
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রাপা প্লাজা( ৭ম তলা), রোড-২৭ (পুরাতন) ১৬ (নতুন), ধানমন্ডি, ঢাকা -১২০৯।
ফোন: ৪১০২১৯১৫-৬, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮, ই-মেইল : বার্তা বিভাগ- newsajkalerkhobor@gmail.com বিজ্ঞাপন- addajkalerkhobor@gmail.com
কপিরাইট © আজকালের খবর সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft