বরগুনার বামনায় স্বামীর সহযোগিতায় এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে স্বামীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
এ ঘটনায় শনিবার (৪ এপ্রিল) বামনা থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী শাহানাজ বেগম।
শাহানাজ বেগম ,ছোনবুনিয়া ৯ নং ওয়ার্ড বুকাবুনিয়ার বাসিন্দা মোঃ হেলাল ফকিরের স্ত্রী।
এজাহার সুত্রে জানা যায়,ভুক্তভোগী বামনা উপজেলার বুকাবুনিয়া ইউনিয়নের ছোনবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা। প্রায় ১০ মাস আগে ইসলামী শরিয়ত একই গ্রামের মোতাবেক মোঃ হেলাল ফকির (২৮) পিং ঝন্টু ফকির,সাং ছোনবুনিয়া ৯ নং ওয়ার্ড বুকাবুনিয়া এর সাথে তার বিয়ে হয়। তাদের বাসায় প্রায়ই স্বামীর পরিচিত মোঃ ইব্রাহিম (৩৫)পিং মোঃ নুর আলম সাং বড়ভাইজোড় ৪ নং ওয়ার্ড ডৌয়াতলা, মোঃ মহারাজ (৩৫) পিং মোঃ মন্নান খান,সাং খুচনীচোড়া ৪ নং ওয়ার্ড ডৌয়াতলা, মোঃ হেলাল ফকির পিং ঝন্টু ফকির,সাং ছোনবুনিয়া ৯ নং ওয়ার্ড বুকাবুনিয়া। এরা স্বামীর পরিচয়ে তাদের বাড়ি আসা-যাওয়া করতেন।
এজাহারে বলা হয়, অভিযুক্ত ইব্রাহিম পূর্ব থেকেই ভুক্তভোগীর প্রতি কু-নজর রাখতেন এবং বিভিন্নভাবে অনৈতিক প্রস্তাব দিতেন। ঘটনার সাতদিন আগে টাকা ধার চাওয়ায় তিনি অনৈতিক শর্ত জুড়ে দেন বলেও অভিযোগ করা হয়। গত ২ এপ্রিল রাতে ইব্রাহিম ও মহারাজ ভুক্তভোগীর স্বামীর সাথে তাদের বাড়িতে আসেন। রাতের খাবার শেষে সবাই ঘুমিয়ে পড়েন। ভোররাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে ইব্রাহিম জোরপূর্বক ধরে ভুক্তভোগীকে ঘরের পেছনের বারান্দায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, এসময় তার স্বামী ঘটনাটি জেনেও কোনো প্রতিরোধ করেননি বরং আসামিদের সহযোগিতা করেছেন। অপর আসামি মহারাজ ঘটনাস্থলের দরজায় পাহারায় ছিলেন বলে জানায় ভুক্তভোগী। ঘটনার পর পাশের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে প্রতিবেশীদের বিষয়টি জানান। পরে পরিবারের সদস্যদের অবহিত করে থানায় এসে মামলা দায়ের করেন । বামনা থানা মামলা নং ০১ তারিখ ০৪/০৪/২০২৬ ধারা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০। এ বিষয়ে বামনা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফারুক হোসেন খান জানান, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কেএ