প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ১২:২৬ এএম (ভিজিট : )

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী বাসটি ক্রেনের সাহায্যে ধীরে ধীরে তোলা হচ্ছে। বুধবার (২৫ মার্চ) রাত ১১টার দিকে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ দিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।
উদ্ধার সংশ্লিষ্টরা জানান, ক্রেন দিয়ে বাসটির সামনের অংশ ইতোমধ্যে পানির ওপর তোলা হয়েছে। বাসের দরজা ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। ভেতর থেকে স্কুলব্যাগ, জুতা-স্যান্ডেল, ভ্যানিটি ব্যাগসহ বিভিন্ন সামগ্রী ভেসে উঠতে দেখা গেছে। ঘটনাস্থলে তিনটি অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এর আগে বুধবার বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটের দিকে দৌলতদিয়া ঘাটে একটি পন্টুন থেকে কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। বাসটিতে প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ জন যাত্রী ছিলেন। এর মধ্যে সাতজন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন।
রাজবাড়ীর সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাসুদ জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ দুটি গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।
ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের কমান্ডার মো. বেলাল উদ্দিন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় ৪০ জন যাত্রী এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধার কাজে ফায়ার সার্ভিসের দুইজন ডুবুরি, দুইজন সহকারী ডুবুরি এবং পাঁচ সদস্যের একটি দল কাজ করছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ করেন, উদ্ধারকারী জাহাজ ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে দেরি হয়েছে এবং ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলও প্রায় এক ঘণ্টা পর উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে।
বাসের যাত্রী আবদুল আজিজুল জানান, তিনি রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার গান্ধীমারা এলাকা থেকে বাসে উঠেছিলেন। দুর্ঘটনার পর তিনি সাঁতরে উঠতে পারলেও তার স্ত্রী ও শিশুসন্তান এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাসটি নদীতে পড়ার পর খুব অল্প সংখ্যক যাত্রীই সাঁতরে তীরে উঠতে পেরেছেন।
আজকালের খবর/ এমকে