অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতি অনেক বছর ধরে ফ্যাসিস্টের হাতে ছিল। তারা এদেশের সংস্কৃতির অপব্যবহার করেছিলো। সংস্কৃতিকে তারা কুক্ষিগত করে রেখেছিলো।
এনিগমা মাল্টিমিডিয়া লিমিটেড আয়োজিত বাচিকশিল্পী তাহসিন রেজার ‘নিজস্ব উচ্চারণ’ শীর্ষক আবৃত্তির উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব বলেন প্রেস সচিব।
শুক্রবার সন্ধ্যায় বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় এই আবৃত্তির আসর।
শফিকুল আলম আরো বলেন, একটি যুদ্ধের মধ্য দিয়ে অভ্যুত্থান ঘটিয়ে বাংলাদেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করা হয়েছে। জুলাই আমাদেরকে শিখিয়েছে কিভাবে ফ্যাসিস্টকে মোকাবেলা করতে হয়। আবৃত্তি একটা কষ্টসাধ্য বিষয়। আর সেই কষ্টসাধ্য সেই বিষয়টি নিয়ে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিলেন তাহসিন রেজা ভাই ও উনার সহকর্মী শিল্পীরা। তাহসিন রেজা ভাইয়ের এই দীপ্ত কন্ঠের প্রতিবাদ আরো অনেক দূর ছড়িয়ে যাক সেই প্রত্যাশাই রইলো।
এসময় আরো বক্তৃতা করেন আসরের বিশেষ অতিথি এনিগমা মাল্টিমিডিয়া প্রধান নির্বাহী লিমিটেডের ফাহমিদুল ইসলাম শান্তনু।
উদ্বোধনী আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাহসিন রেজার ভরাট কন্ঠে কবিতার দীপ্ত উচ্চারণে মিলনায়তনে ছড়িয়ে পড়ে শিল্পের সুষমা। যাদুকরি কন্ঠের পরিবেশনায় গোটা মিলনায়তনে যেন শৈল্পিকতার ঢেউ খেলে যায়। পিনপতন নীরবতায় ধ্যানমগ্ন হয়ে আবৃত্তিপ্রেমীরা হারিয়ে যায় ভালোলাগা ও ভালোবাসার ভিন্ন এক মোহনীয় জগতে।
‘প্রতীক্ষা’ শিরোনামের কবিতা দিয়ে শুরু করে ধারাবাহিক পরিবেশনায় তাহসিন রেজা আবৃত্তি করেন ‘এক আর দুই, একটা আশা,মাঝে মাঝে, অভিমানের দোরগোড়া, তুমি আামি এখন তখন, তুমি কোন দেশে, মাইগ্রেন ভালোবাসা, মা’র আদর, বন্ধু যদি ভাবিস, ভুল করে, প্রচ্ছদে নেই, মা অর্থ মা, অভিমান, আমায় রেখো না, বন্ধুরা সব, আমি নেই’সহ ১৭টি কবিতা আবৃত্তি করেন দেশের প্রথিতযশা এই বাচিকশিল্পী৷
আসরে তাহসিন রেজার আবৃত্তির সঙ্গে সুরের সেতুবন্ধন করেন সঙ্গীতশিল্পী শান শায়ক।