ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ  শনিবার ● ২৩ জানুয়ারি ২০২১ ● ১০ মাঘ ১৪২৭
ই-পেপার  শনিবার ● ২৩ জানুয়ারি ২০২১
শিরোনাম: আজ আমার আনন্দের দিন : প্রধানমন্ত্রী       কাশিমপুর কারাগারে নারীর সঙ্গে সময় কাটালেন হলমার্কের জিএম       মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ৭০ হাজার পরিবার ঘর পাচ্ছে আজ       বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে আগুন, এক পরিবারের চারজনের মৃত্যু       করোনায় দেশে ২৪ ঘণ্টায় ১৫ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৬১৯       রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী আগে টিকা নিলে জনগণ ভরসা পাবে : রিজভী       পাবনায় ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে অটোরিকশার ২ যাত্রী নিহত       
কৃষি পর্যটন আনতে পারে উজ্জ্বল ভবিষ্যত
রিম্পা খাতুন
Published : Monday, 11 January, 2021 at 6:33 PM

আমাদের কর্মক্লান্ত এই জীবনের অবসরে অলসতা কাটিয়ে নয়ন ও মনকে বিনোদনের উদ্দেশ্যে পর্যটকেরা দিক থেকে দিগন্তে ছুটে চলেন নয়নাভিরাম দৃশ্যপট দেখতে, অচেনাকে চিনতে, অজানাকে জানতে। স্রষ্টার এমন কিছু সৃষ্টি বিশেষ বিশেষ স্থান রয়েছে যার অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে পর্যটকেরা ছুটে চলেন অবিরাম।

সেন্ট অগাস্টিন বলেছেন, ‘পৃথিবী একটি বই আর যারা ভ্রমণ করেন না তারা বইটি পড়তে পারে না।’ প্রকৃতপক্ষে ভ্রমণের মাধ্যমে একদিকে যেমন চাক্ষুষ জ্ঞান আহরণ করা যায়; তেমনি প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়, সাথে সাথে শারীরিক ও মানসিক প্রশান্তিও লাভ করা যায়। কৃষিপ্রধান বাংলাদেশের যেদিকে দুচোখ যায় সবুজ আর মনকাড়া চিত্র-বৈচিত্রে ভরা, যে মৌসুমই আসুক না কেন সবুজ আর সজীবতার যেন অন্ত নেই। এর মধ্যেও আছে নানা বৈচিত্র্যের সমাহার। কেউ কি আমরা খুঁজে দেখি বৈচিত্রময় বিচিত্রতাকে? কতজন কবির ভাষায় চোখ মেলে দেখি ‘ধানের ক্ষেতে ঢেউ খেলে যায় বাতাস কাহার দেশে, কোথায় এমন হরিৎ ক্ষেত্র আকাশ তলে মেশে।’ কিংবা শীতকালীন সবজি ক্ষেতে সকালের শিশির বিন্দু? হয়তো দেখা হয় আসা-যাওয়ার পথে কিন্তু দেখা হয়ে ওঠে না দেখার মতো করে।
মনের মাধুরী মিশিয়ে কল্পনা করিনা কোন কিছুর সঙ্গে।

কৃষি পর্যটন হয়ে উঠতে পারে তেমনই একটি শৈলীর ভ্রমণ যেখানে মানুষ পারবে প্রকৃতির খুব কাছে গিয়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে উপলব্ধি করতে, সবুজের সমারোহে মিশে যেতে। এককথায় প্রকৃতির সাথে নিবিড় সখ্যতা গড়ে তুলতে কৃষি পর্যটন হতে পারে অন্যতম মাধ্যম। কৃষি পর্যটন হলো অবকাশযাপনের এমন এক ধরণ যেখানে খামারগুলোতে আতিথেয়তার আয়োজন করা হয়। অবকাশকালীন কর্মকান্ডের মধ্য থেকে কৃষি পদ্ধতি সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান আহরণ, ফল ও সবজি চাষ, ফল ও সবজি ক্রয়, ঘোড়ায় চড়া, মধু আহরণ এবং স্থানীয় আঞ্চলিক বিভিন্ন পণ্য অথবা হস্তশিল্প সামগ্রীর তৈরি শৈলী দেখা এবং ক্রয়ের সুযোগ তৈরি করে। এক কথায় কৃষির আদ্যোপান্ত জানার সুযোগ তৈরি করে এই কৃষি পর্যটন।

কৃষি ও পর্যটন যদিও আলাদা দুইটি শব্দ কিন্তু এই দুইটি শব্দের মধ্যে রয়েছে একটি চমৎকার মেইল বন্ধন। তা সে খামারের বা মঞ্চের উৎসব হোক কিংবা পানি কেন্দ্রিক হোক। কৃষকেরা তাদের কৃষিজমি গুলোকে একটি গন্তব্যে পরিণত করে এবং তারা সেখানে কি করে! সে সম্পর্কে আরও শেখানোর উদ্দেশ্যে জনগণের জন্য তাদের দরজা উন্মুক্ত করে।

আমরা যদি উন্নতবিশ্বের দিকে তাকাই তাহলে দেখা যায়, কৃষি পর্যটনে সারা বিশ্বের সবচেয়ে এগিয়ে আছে আমেরিকা ও ফিলিপিন। তাছাড়াও উল্লেখযোগ্য ফ্রান্স, নিউজিল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া পর্তুগাল, নেপাল, উগান্ডা, আয়ারল্যান্ড, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, এমনকি আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতেও ইতিমধ্যে কৃষি পর্যটন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ফ্রান্সের প্যারিস থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত লাকুলুয়ে দো সারজি নামক একটি জায়গায় ৪০ হেক্টর জমি নিয়ে গড়ে উঠেছে এক বিশাল ফার্ম।

ফার্মটিতে অর্গানিক পদ্ধতিতে বিভিন্ন রকমের শাক-সবজি, ফল-মূল, ফুল, ফসল ইত্যাদি উৎপাদন করা হয়। উৎপাদিত সব পণ্য-সামগ্রী এই ফার্ম থেকে নিয়ে গিয়ে শহরে বিক্রি করে। আবার স্থানীয় জনগণ ও শহর থেকে অনেক পর্যটকেরা এখানে ভ্রমণ করতে আসে। ফার্মটি মূলত কৃষিপর্যটনকে মাথায় রেখে গড়ে তোলা হয়েছে। এখানে পর্যটকেরা ভ্রমণ করেন এবং তারা ফার্মটিতে ঢুকে তাদের যত-খুশি ইচ্ছামতো নিজের পছন্দমতো শ্রেষ্ঠ ফলটি খেতে পারেন আবার নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়ে যেতে পারেন। নেয়ার সময় কাউন্টারে ওই পণ্যটির নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ করে দিয়ে যান। আবার এখানে অনেক সাশ্রয়ী মূল্যেও পর্যটকেরা পণ্য পেয়ে থাকে।

এই ফার্মটির বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ও উদ্দেশ্য রয়েছে ; প্রথম উদ্দেশ্য পর্যটক আকর্ষক ; এরই মধ্যে কৃষির প্রতি সম্মান, কৃষির অপরিহার্যতা, কৃষির ঐতিহ্য সবই জানার ব্যবস্থা রয়েছে। একই সঙ্গে কৃষি যে কতটা মনোমুগ্ধকর হতে পারে ফার্মটিতে গিয়ে উপলব্ধি করা যায়। এই ফার্মটির মধ্যে আরো আছে খামার, রেস্তোরাঁ, বাজার, দোকানপাট ইত্যাদি।

ফার্মটিতে শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে ভ্রমণ করার মতো সুযোগ এবং প্রকৃতির উন্মুক্ত খোলা দরজা যেখান থেকে শিক্ষার্থীরা জানতে পারবে কৃষি সম্পর্কে আদ্যোপান্ত এবং কৃষির জ্ঞানে নিজেদেরকে সমৃদ্ধ করতে পারবে। এরূপ কৃষি পর্যটন আমাদের বাংলাদেশেও গড়ে উঠতে পাওে, যদি যথার্থ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। এমন কৃষিপর্যটন ক্ষেত্র শুধু পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয়ই নয় বরং লোভনীয়ও বটে। কারণ প্রতিটি মানুষ প্রকৃতির সান্নিধ্যে থাকতে অবশ্যই ভালোবাসে।
আমাদের দেশের কৃষিক্ষেত্র হলো অর্থনীতির মেরুদন্ড। আমাদের মোট জনসংখ্যার শতকরা ৮০ ভাগ এবং শ্রম শক্তির ৬০ ভাগ কৃষিতে নিয়োজিত। দেশের জিডিপি প্রায় ১৪ দশমিক ১০ শতাংশ কৃষিক্ষেত্র থেকে আসে। ২ কোটি কৃষক খাদ্য সরবরাহের জন্য খাদ্যশস্য উৎপাদনকারী গ্রামগুলিতে বাস করছে। আমাদের দেশের জাতীয় জিডিপিতে কৃষির অবস্থা বর্তমানে আমাদের আশানুরূপ নয়। তাই বিদ্যমান কৃষিতে অতিরিক্ত উপার্জন মূলক কার্যক্রম যুক্ত করতে পারলে অবশ্যই জাতীয় জিডিপিতে কৃষির অবদান বাড়বে। এক্ষেত্রে কৃষি পর্যটন হতে পারে এমন জাতীয় কার্যক্রমের একটি বিশেষ ক্ষেত্র। আবার আমাদের দেশের পর্যটন শিল্পে অপার সম্ভাবনা থাকা সত্বেও বিশ্ব টুর মার্কেটে বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব মাত্র ১.০৯ শতাংশ যেটা হতাশাজনকও বটে । যেখানে পর্যটন ১০৯ টি শিল্পকে সরাসরি প্রভাবিত করে, চালিত করে, ও প্রসারিত করে। একজন পর্যটকদের আগমনে সেবাখাতে প্রত্যক্ষভাবে ১১ জন ও পরোক্ষভাবে ৩৩ জন মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
এই সুযোগকে আমরা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারছি না যার ফলশ্রæতিতে পিছিয়ে থাকছে আমাদের দেশের পর্যটনশিল্প আছে, পিছিয়ে থাকছে আমাদের দেশ। যে পর্যটনশিল্প আমাদের দেশের জাতীয় আয়ের অন্যতম উপায় হতে পারতো! কিন্তু অন্যতম উপায় হিসেবে পর্যটনশিল্পকে আমরা গড়ে তুলতে ব্যর্থ হচ্ছি এর অন্যতম কারণ রাজনৈতিক স্বদিচ্ছা, পরিকল্পনা ও প্রতিজ্ঞার অভাব এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগের অভাব।

পর্যটন শিল্পের এসব প্রতিবন্ধকতাগুলোকে অবশ্যই দূর করতে হবে। সেই সাথে সাথে কৃষি পর্যটন হতে পারে নতুন মাত্রা। কৃষিপর্যটন শিল্পে ব্যক্তিপর্যায়ে আমরা উদ্যোগ নিতে পারি এটা বেকারত্ব দূরীকরণের অন্যতম পন্থা হতে পারে। পর্যটনের সাথে কৃষিকে সম্পৃক্ত করলে একদিকে যেমন পর্যটকেরা ভ্রমণ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবে সেই সাথে সাথে কৃষিজ পণ্য ও বাজার সম্প্রসারণে কৃষি পর্যটন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

কৃষি পর্যটন হতে পারে বাংলাদেশের অন্যতম একটি চমৎকার আয়ের উৎস। কারণ আমাদের আছে নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু, আছে উর্বর ভূমি, আছে সার্কভুক্ত অন্যান্য দেশের সাথে প্রতিযোগিতা করার সামর্থ্য। ইতিমধ্যে আমাদের দেশে অপরিকল্পিতভাবেই কিছু কিছু কৃষি পর্যটন গড়ে উঠেছে যেমন রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম বাগান, দিনাজপুরের লিচু বাগান, স্বরূপকাঠি পেয়ারা বাগান, যশোরের ফুলের বাগান, নরসিংদীর লটকন বাগান এমন আরও অসংখ্য কৃষি পর্যটন। দেশীয় পর্যটকেদের কাছে ভ্রমণের জন্য এই জায়গাগুলো ইতিমধ্যে বেশ পরিচিতি লাভ করে ফেলেছে। যথাযথ পদক্ষেপের মাধ্যমে এই ক্ষেত্র গুলোর আরো প্রসার ও সমৃদ্ধ করা সম্ভব।

সকল বয়সী মানুষের মধ্যেই গ্রাম ও প্রকৃতির প্রতি আলাদা আকর্ষণ থাকে। তাছাড়া তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে কৃষির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অবলোকনের স্পৃহা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইট পাথরের শহর ছেড়ে, যান্ত্রিকতার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে মানুষ হতে চাই শিকড়মুখী। পুকুরে সাঁতার কাটতে চাই, নিজ হাতে মাছ ধরতে চাই, ফল-ফলাদি আহরণ করতে চাই। আসলে প্রকৃতির মাঝে থাকার যে আনন্দটা তা উপভোগ করতে চাই।

কৃষি পর্যটনটি এমনই ক্ষেত্র যেটি শান্ত, নিরিবিলি আর সবুজে আচ্ছাদিত একটি জায়গা। যেখানে মানুষ দূষণমুক্ত হাওয়ায় তৃপ্তি সহকারে প্রশান্তির স্বস্তি নিতে পারে। মানুষের অর্গানিক আর বিষমুক্ত কৃষি পণ্যের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে, পেতে চাই ফার্ম ফ্রেশ ভেজিটেবলস। কৃষি পর্যটনের বদৌলতে আমরা এমন সুযোগ পেতে পারি। এতে একদিকে যেমন ভোক্তার কাছে কৃষক তার পণ্য বিক্রি করে ন্যায্যমূল্য পেতে পারে, অপরদিকে ভোক্তাও অর্গানিক অর্থাৎ বিষমুক্ত পণ্য ক্রয় করে জীবনমানের উন্নত করতে পারেন।

সাম্প্রতিক সময়গুলোতে কৃষি উদ্যোক্তাদের হাতে বা কৃষি বাণিজ্যিকরণের ফলে অনেকে বেসরকারি পর্যায়ে বিনিয়োগ করছে। তারা অনেকে খামারবাড়ি করছে নিজেদের বিনোদনের জন্য, হয়তো তারা সপ্তাহে একদিন সেখানে যায়। অর্থাৎ নিজেদের প্রয়োজন মেটাতে এগুলো তারা গড়ে তুলছে। কিন্তু তারা যদি খামারগুলোতে নিজেদের প্রয়োজন মিটানোর পাশাপাশি বাড়তি পরিকল্পনা করে পর্যটকদের জন্য, তাহলে এটি আমাদের দেশের জন্য অন্যতম একটি আয়ের উৎস হবে। এমন উদ্যোগ আমাদের ঢাকা শহর থেকে বের হওয়ারও একটি জায়গা হতে পারে। যে সমস্ত পরিবার মনে করে যে বাচ্চাদের নিয়ে, পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাইরে বেড়াতে যাবে, ফার্ম ফ্রেশ ভেজটাবলস, ফ্রুটস কিনে আনবে, তাদের প্রজন্মকে কৃষির সাথে সম্পৃক্ত করবে, কৃষিজ্ঞানে সমৃদ্ধ করবে, তাদের জন্য কৃষি পর্যটন হবে অন্যতম ক্ষেত্র।

এছাড়াও আমাদের দেশের কৃষি উদ্যোক্তা ও সরকারী কৃষি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোরও বিপুল বিস্তৃত আবাদযোগ্য জমি রয়েছে তারাও এমন পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলতে পারেন কৃষি পর্যটন খামার। বাণিজ্যিক দিক থেকেও এমন উদ্যোগ অবশ্যই লাভজনক হবে। ২০২০ সালের পর্যটন দিবসের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো ‘গ্রামীণ উন্নয়নে পর্যটন’।

কৃষি পর্যটন যে প্রতিপাদ্যটির সাথেই সংশ্লিষ্ট তা আর বলার বাকি রাখে না। আমরা যদি এই সম্ভবনাময় সুযোগকে কাজে লাগাতে পারি তাহলে কৃষি ও কৃষকের অবস্থার যেমন বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটতে পারে তেমনি পর্যটন শিল্পের গতিও ত্বরান্বিত হতে পারে।
আমাদের প্রজন্মকে কৃষির সাথে সম্পৃক্ত অর্থাৎ কৃষির জ্ঞানে সমৃদ্ধ করতে, ফসলের সাথে সমৃদ্ধ করতে, মাটির সংস্পর্শে আনতে, এবং গাছ-গাছালির সবুজের সাথে সখ্যতা তৈরি করতে, মাটির সাথে নিবিড় বন্ধন গড়ে তুলতে, কৃষির প্রতি সম্মান ও কৃষির ঐতিহ্যকে নিজেদের মধ্যে লালন করতে কৃষি পর্যটন হতে পারে অন্যতম মাধ্যম। প্রকৃতির মাঝে থেকে আনন্দ উপভোগ করার যে অনুভূতি তার সুযোগ আমরা খুব সহজেই পেতে পারি কৃষি পর্যটনের মাধ্যমে। তাছাড়া কৃষি পর্যটনের মাধ্যমে টেকসই উৎপাদন করার সাথে সাথে বহুল কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে, বিনির্মাণ হতে পারে বাংলাদেশের এক উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ, যা হয়তো আমাদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে।

রিম্পা খাতুন : শিক্ষার্থী, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়


সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : হাউস নং ৩৯ (৫ম তলা), রোড নং ১৭/এ, ব্লক: ই, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ফোন: +৮৮-০২-৪৮৮১১৮৩১-৪, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮
ই-মেইল : বার্তা- [email protected] বিজ্ঞাপন- [email protected]
দৈনিক আজকালের খবর লিমিটেডের পক্ষে গোলাম মোস্তফা কর্তৃক বাড়ি নং-৫৯, রোড নং-২৭, ব্লক-কে, বনানী, ঢাকা-১২১৩ থেকে প্রকাশিত ও সোনালী প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড (২/১/এ আরামবাগ), ইডেন কমপ্লেক্স, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক আজকালের খবর
Web : www.ajkalerkhobor.com, www.eajkalerkhobor.com