ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ  শনিবার ● ২৩ জানুয়ারি ২০২১ ● ১০ মাঘ ১৪২৭
ই-পেপার  শনিবার ● ২৩ জানুয়ারি ২০২১
শিরোনাম: আজ আমার আনন্দের দিন : প্রধানমন্ত্রী       কাশিমপুর কারাগারে নারীর সঙ্গে সময় কাটালেন হলমার্কের জিএম       মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ৭০ হাজার পরিবার ঘর পাচ্ছে আজ       বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে আগুন, এক পরিবারের চারজনের মৃত্যু       করোনায় দেশে ২৪ ঘণ্টায় ১৫ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৬১৯       রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী আগে টিকা নিলে জনগণ ভরসা পাবে : রিজভী       পাবনায় ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে অটোরিকশার ২ যাত্রী নিহত       
পিতা তোমায় পড়ে মনে, আজকের এই দিনে
মোতাহার হোসেন
Published : Sunday, 10 January, 2021 at 2:56 PM

বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ, মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন একই সূত্রে গাঁথা এবং এক ও অভিন্ন স্বত্তা। বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা। আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধ দেখেছি, অথচ বয়সে একেবারেই কম তাদের কাছে কিছু কিছু দিন বা তারিখ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তাৎপর্য মন্ডিত। তবে এর মধ্যে দুটি তারিখ চির অবিস্মরণীয় এবং আনন্দ উল্লাসের। এর একটি হচ্ছে,‘‘ষোলোই ডিসেম্বর’’ যেদিন পাকিস্তানী সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করেছে।

অন্যটি ছিল দশ জানুয়ারি তারিখ, অর্থাৎ যেদিন পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে বঙ্গবন্ধু ফিরে এসেছিলেনতাঁর স্বপ্নের প্রিয় বাংলাদেশে। তাঁর স্বদেশে ফিরে আসার মধ্যদিয়ে পূর্ণতা পেলো বিজয়ের আনন্দ। আর  যারা মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি কিংবা পৃথিবীর যেসব মানুষ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানে না, তারা অবাক হয়ে ভাবতে পারেন- একটি দেশের মুক্তি আর একটি মানুষের মুক্তি কেমন করে সমার্থক হতে পারে? কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি যে, বাংলাদেশ এবং বঙ্গবন্ধু সমার্থক, এক ও অভিন্ন, অবিচ্ছেদ্য।

এবারের ১০ জানুয়ারি ভিন্ন মাত্রায়, ভিন্ন আমেজে, বহুমাত্রিকতায় আবির্ভূত।  কারণ এবছরই হচ্ছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী। পাশাপাশি  বৈশ্বিক মহামারি করোনাসহ শত প্রতিকূলতা স্বত্বেও বাংলাদেশ অর্থনীতির সকল সূচকে ঈর্ষণীয় অগ্রগতিতে বঙ্গবন্ধুর আজীবনের স্বপ্ন জাতির অর্থনৈতিক মুক্তি এবং তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবে পরিণত হওয়ার পথে। একই সঙ্গে নিজস্ব অর্থায়নে প্রমত্ত পদ্মায় নির্মিত হলো সেতু। পাশাপাশি মহাকাশে বাংলাদেশের পতাকা খচিত বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপনের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশের আকাশ ছোঁয়া উন্নয়ন জানান দিচ্ছে বিশ্ব পরিমন্ডলে।  বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল।’

১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন হলেও প্রকৃতপক্ষে ১০ জানুয়ারি ছিল বাঙালির জন্য পরিপূর্ণভাবে স্বাধীনতা অর্জনের দিন, বিজয়ের পূর্ণতা অর্জনের দিন। বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের আরেকটি আলোকিত অধ্যায়। প্রকৃতপক্ষে ১০ জানুয়ারিতে বাংলার রাজনীতির মুকুটহীন সম্রাট সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা শেখ মুজিবকে পেয়ে বাঙালি বিজয়ের পরিপূর্ণ আনন্দ প্রাণভরে উপভোগ করেছে। এ দিনই বঙ্গবন্ধুর হাত ধরেই স্বাধীন ও স্বার্বভৌম বাংলাদেশ প্রবেশ করে গণতন্ত্রের এক আলোকিত অভিযাত্রায়।

এটি চিরন্তন সত্য যে, আমাদের করতলে সূর্য ধরা দেয় না। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের সেই স্বাধীনতার সূর্য যাকে জেল, ফাঁসির মঞ্চ কিছুই পিছু হটাতে পারেনি। আলো দিয়ে উদ্ভাসিত করে গেছেন একটি জাতিসত্ত¡াকে। একটি স্বাধীন ভূখন্ডকে। এমন ক্ষণ হাজার হাজার বছরে একবারই আসে। কিছু মানুষ সেইসব ক্ষণের সাথী হতে পারে, মহাকালের সাক্ষী হতে পারে। আমরা সেই মহাকালের স্বাক্ষীএসব কারণে মনে হয়েছে এবারে এক নতুন প্রেক্ষাপটে ১০ জানুয়ারি আমাদের সামনে হাজির হয়েছে।

১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছিল। সেই গণজোয়ারে বাংলার মানুষ নৌকায় ভোট দিয়ে জাতির পিতাকে বিজয়ী করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পথ প্রশস্ত করেছিল। নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে বিশ্ববাসীর কাছে বঙ্গবন্ধু প্রমাণ করেছিলেন- তিনিই বাংলার মানুষের একক নেতা। ঠিক তেমনি বিগত সংসদ নির্বাচনে ‘৭০-এর গণজোয়ারের মতোই নৌকায় ভোট দিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে চতুর্থবারের মতোপ্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করে বাংলাদেশের মানুষ প্রমাণ করল- দেশের সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের তিনিই একমাত্র নেতা। তার নেতৃত্বে ইতিমধ্যে বাংলাদেশ মর্যাদাশালী রাষ্ট্রে রূপান্তরিত হয়েছে। বর্তমানে বৈশি^ক মহামারি করোনার  মধ্যেও বঙ্গবন্ধু কণ্যা শেখ হাসিনার সাহসী ও দূরদর্শী নের্তৃত্বের কারণে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং মানুষের জীবন রক্ষা ও জীবিকার চাকা সচল রাখতে বিশেষ অর্থনৈতিক প্রণোদনা প্যাকেজ সুফল বয়ে আনে অর্থনীতির সকল সূচকে।

বিদায়ী ২০২০- সালে আমরা সগৌরবে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী পালন করব এবং ঘোষিত রূপকল্প অনুযায়ী ২০২১-এ বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত হয়েছে। বিগত নির্বচনে বিপুল বিশাল বিজয়ের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব হাতে নিয়ে শেখ হাসিনা দেশকে উন্নয়নের চরম শিখরে নিয়ে যাচ্ছেন এবং বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করছেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর দুটি স্বপ্ন ছিল- বাংলাদেশকে স্বাধীন করা এবং বাংলাদেশকে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করা। বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। তার প্রথম স্বপ্ন তিনি পূরণ করেছেন।

আরেকটি স্বপ্ন যখন বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে চলেছিলেন, তখনই বুলেটের আঘাতে সপরিবারে জাতির পিতাকে হত্যা করা হয়। জাতির পিতাকে হারানোর দুঃখের মধ্যে ‘৮১-এর ফেব্রæয়ারি মাসে আওয়ামী লীগের সম্মেলনের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যার হাতে আমরা যে পতাকা তুলে দিয়েছিলাম, সেই পতাকা হাতে নিয়ে নিষ্ঠা, সততা ও দক্ষতার সঙ্গে আজ তিনি বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। প্রতিপক্ষের শত ষড়যন্ত্র সত্তে¡ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে চলেছে। অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করে আর্থ-সামাজিক প্রতিটি সূচক আজ ইতিবাচক অগ্রগতির দিকে ধাবমান। স্বাধীনতার পরে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল সাড়ে ৭ কোটি; যুদ্ধবিধস্ত ঘরে ঘরে ছিল খাদ্যাভাব। আজ দেশে প্রায় ১৮ কোটি মানুষ, এই ১৮ কোটি মসানুষের খাদ্যের জোগান দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আজ ৪৩ বিলিয়ন ডলার। মাথাপিছু আয় যেখানে ছিল মাত্র ৫০-৬০ ডলার, আজ তা ২১০০ ডলারে উন্নীত হয়েছে। নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন বলেছেন, 'সামাজিক-অর্থনৈতিক সর্বক্ষেত্রে বাংলাদেশ পাকিস্তান থেকে এগিয়ে। এমনকি সামাজিক কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভারত থেকেও এগিয়ে।' যেমন আমাদের রফতানি, রিজার্ভ, রেমিট্যান্স, বিদ্যুৎ উৎপাদন পাকিস্তান থেকে বেশি। আবার সামাজিক খাতে আমাদের গড় আয়ু ভারত-পাকিস্তান থেকে বেশি। নারীর ক্ষমতায়নেও আমরা এগিয়ে। চলিত বছরের জুলাইর মধ্যে দেশকে শতভাগ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনা হচ্ছে।

আরেকটি কথা এখানে প্রাসঙ্গিক যে,এই দেশে কোন দল রাজনীতি করতে চাইলে এখন তাদের সবার আগে আদর্শের মূল দুটি ভিত্তি গড়ে তুলতে হবে।  এর একটি হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ, অন্যটি হচ্ছে বঙ্গবন্ধু। মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করে এবং বঙ্গবন্ধুকে হৃদয়ে ধারণ না বা অস্বীকার করে এই দেশে কেউ আর কোনদিন রাজনীতি করতে পারবে না। যারা মুক্তিযুদ্ধ আর বঙ্গবন্ধুকে অস্বীকার করে তারা এই দেশের আবর্জনা। আবর্জনা দিয়ে আঁস্তাকুড় ভরা যায়, রাজনৈতিক দল তৈরি করা যায় না। বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন করার জন্য দেশে অনেক বড় একটি উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।  কিন্তু করোনার কারেণ  সে ভাবে আয়োজন করা যাচ্ছেনা। বিগত সময়ে আমরা অত্যন্ত দূখের সাথে লক্ষ্য করেছি, আমাদের কোন কোন কূলাঙ্গার শিশুর গালে আঁকা পাকিস্তানী পতাকা কিংবা স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে বিভ্রান্ত শিশু-কিশোর যেন এই দেশে আর কখনও জন্ম না নেয়- এখন থেকে সেটিই হওয়া উচিত আমাদের প্রধান লক্ষ্য। এই দেশের নূতন শিশু-কিশোররা যেন নিজের দেশকে ভালবাসতে পারে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে, মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্যদিয়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে নিয়ে গর্ব করতে পারে, সবার আগে এসব নিশ্চিত করতে হবে।

প্রত্যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের এই দায়িত্ব নিতে হবে ,পাঠ্য পুৃস্তকে মুিক্তযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস,বঙ্গবন্ধুর অবদান,তাঁর রাজনীতি,তাঁর দেশ প্রেম, তাঁর আর্দশ,তাঁর আত্মত্যাগ, তাঁর অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজ নামচা শিক্ষঅর্থীওেদও নিয়মিত চর্চা এবং শেখানো প্রয়োজন। কারণ বঙ্গবন্ধুকে জানা হলে বাংলাদেশকে জানা হবে, জানা হবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা,মহান মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে।

আমাদের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘রূপকল্প’ অনুযায়ী বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের ডিজিটাল দেশে রূপান্তরিত হবে। বিশ্বব্যাংককে অগ্রাহ্য করে বঙ্গবন্ধুকন্যা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের যে অনন্যসাধারণ সাহসী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন, তা সারাবিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে এবং পদ্মাবক্ষে সেই সেতুর অবয়ব পরিপূর্ণ ভাবে দৃশ্যমান। প্রমত্ত পদ্মার দুপ্রান্তকে  যুক্ত করেছে স্বপ্নে পদ্মা সেতু। যে স্বপ্ন ও প্রত্যাশা নিয়ে জাতির পিতা ‘স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন; দীর্ঘ পথ-পরিক্রমায় তারই সুযোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে আজ তা অসা¤প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও শোষণমুক্ত সোনার বাংলায় রূপান্তরিত হতে চলেছে। এক সময়ের অন্ধকার গ্রামবাংলা আজ আলোকিত। পিচঢালা পথ; সেই পথে সশব্দে ছুটে চলেছে যাত্রীবাহী, মালবাহী গাড়ি। ঘরে ঘরে টিভি, ফ্রিজ। পাকা দালানকোঠা। খালি পায়ে লোকজন চোখে পড়ে না। বাজারগুলো সরগরম। গ্রামীণ জনপদের মানুষের হাতে ধূমায়িত চায়ের পেয়ালা।

গ্রামগুলো শহরে রূপান্তরিত হচ্ছে। এসবই সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে এবং ইতিমধ্যে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। সেদিন বেশি দূরে নয়, যেদিন বাংলাদেশ হবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা। তাই বলা সংগত যে,এক মুজিব লোকান্তরে, লক্ষ মুজিব ঘরে ঘরে।  কে বলেছে মুজিব নাই -মজিব  আছে বাংলায়, আজকের এই দিনে- পিতা তোমায় পড়ে মনে। বঙ্গবন্ধুৃর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের এই দিনে আমাদের অঙ্গীকার হোক ‘ তাঁর আদর্শ হ্নদয়ে ধারণ করে ,তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়নে তাঁরই সুযোগ্য কণ্যা শেখ হাসিনাকে সমর্থন ,সহযোগিতা করা। একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ, রাজনৈতিক দল পরিচালনায় নিজ নিজ অবস্থান থেকে  ভূকিমকা রাখা। তাহলেই জাতির জনকের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন,স্বাধীনা ও মুক্তিমুদ্ধের লক্ষ্য উদ্দিশ্য বাস্তবায়ন সম্ভব। এ কই সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর বিদেহী আত্মা শান্তি পাবে।

মোতাহার হোসেন : সাংবাদিক। সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জা জার্নালিস্ট ফোরাম।


সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : হাউস নং ৩৯ (৫ম তলা), রোড নং ১৭/এ, ব্লক: ই, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ফোন: +৮৮-০২-৪৮৮১১৮৩১-৪, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮
ই-মেইল : বার্তা- [email protected] বিজ্ঞাপন- [email protected]
দৈনিক আজকালের খবর লিমিটেডের পক্ষে গোলাম মোস্তফা কর্তৃক বাড়ি নং-৫৯, রোড নং-২৭, ব্লক-কে, বনানী, ঢাকা-১২১৩ থেকে প্রকাশিত ও সোনালী প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড (২/১/এ আরামবাগ), ইডেন কমপ্লেক্স, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক আজকালের খবর
Web : www.ajkalerkhobor.com, www.eajkalerkhobor.com