ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ  বৃহস্পতিবার ● ২৮ জানুয়ারি ২০২১ ● ১৫ মাঘ ১৪২৭
ই-পেপার  বৃহস্পতিবার ● ২৮ জানুয়ারি ২০২১
শিরোনাম: ভ্যাকসিন নিয়ে কোনো অসুবিধাই হয়নি তাদের        এইচএসসির ফল ঘোষণা হতে পারে রোববার       চট্টগ্রামের মেয়র হচ্ছেন আওয়ামী লীগের রেজাউল       বিদায়ের আগে কাঁপিয়ে যাবে শীত       ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে চতুর্থ স্থানে মিরাজ, মোস্তাফিজ ৮ম       দেশে করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরু       করোনার টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন      
প্রিন্ট সংস্করণ
আকাশ-পাতালেও গতিশীল বাংলাদেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক
Published : Monday, 4 January, 2021 at 1:47 AM

# তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন কাজ দ্রুত এগোচ্ছে

# মহাকাশে যাওয়ার প্রস্তুতি বঙ্গবন্ধু-২ স্যাটেলাইটের


টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি খাতে মহাকাশ ও সাগর অভিযাত্রায় ক্রমেই এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের দুই বছরের মাথায় মহাকাশে আরেকটি স্যাটেলাইন বঙ্গবন্ধু-২ তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়া প্রথম ও দ্বিতীয়ের পর তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল সংযোগ স্থাপন কাজ শেষ প্রান্তে পৌঁছেছে।
বঙ্গবন্ধু-২ স্যাটেলাইট প্রকল্পে এরই মধ্যে প্যারিসভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান প্রাইসওয়াটার হাউসকুপার্সকে (পিডাব্লিউসি) চূড়ান্ত করা হয়েছে। দু’এক দিনের মধ্যেই পরামর্শক প্রতিষ্ঠানটির নাম ঘোষণা করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
অপরদিকে ‘ফাইভ জি’ সহায়ক শক্তিশালী প্রযুক্তির নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পাশাপাশি চাহিদা অনুযায়ী উচ্চ গতির ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে মহাসাগরের নিচে সাবমেরিন ক্যাবল-৩ (সি-মি-উই-৬) কনসোর্টিয়ামে যোগ দেওয়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে সংযুক্ত হলে বাংলাদেশ ১২ টিবিপিএস (টেরাবাইটস পার সেকেন্ড) ব্যান্ডউইথ পাবে। এর ফলে দেশে ব্যান্ডউইথের ঘাটতি থাকবে না। বরং ব্যান্ডউইথ রপ্তানি করে প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব হবে বলে এ খাতের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
বঙ্গবন্ধু-২ স্যাটেলাইটের বিষয়ে জানতে চাইলে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, এ বছরে আমরা তিনটা বড় কাজে হাত দিয়েছি। আশা করি সফল হতে পারবো। বঙ্গবন্ধু-২ স্যাটেলাইট প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি দিকনির্দেশনা দেওয়া একটি প্রকল্প। এখন মূল বিষয় হলো কী ধরনের স্যাটেলাইট আমাদের প্রয়োজন, সেটি। প্রথমটি যেহেতু কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট, ফলে আমরা পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে বলেছি, যেটি আমাদের জন্য প্রয়োজনীয় সেটাই যেন সাজেস্ট করা হয়। তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশ কৃষিভিত্তিক। ফলে আমাদের একটি ওয়েদার স্যাটেলাইট খুবই প্রয়োজন। পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে এসব কথা বলা হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, প্রথম স্যাটেলাইটটির আয়ু ধরা হয়েছিল ১৫ বছর। কিন্তু হস্তান্তরের সময় জানানো হয়েছে ১৮ বছর। সে হিসেবে ২০৩৬ সাল পর্যন্ত ওটা থেকে সেবা পাওয়া যাবে। যেহেতু দ্বিতীয় স্যাটেলাইট প্রথমটির বিকল্প হবে না, তাই কমিউনিকেশনের কিছু পার্ট দ্বিতীয় স্যাটেলাইটে রাখা হবে যাতে প্রয়োজনে ব্যবহার করা যায়।
বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিএসসিএল) চেয়ারম্যান ড. শাজাহান মাহমুদ বলেন, বর্তমান সরকারের মেয়াদেই দ্বিতীয় স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-২ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হবে। এরই মধ্যে প্যারিসভিত্তিক বিখ্যাত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান প্রাইসওয়াটার হাউসকুপারস-কে (পিডাব্লিউসি) চূড়ান্ত করা হয়েছে। আশা করছি এই সপ্তাহের মধ্যেই আমরা পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করতে পারবো। তিনি আরো বলেন, পিডাব্লিউসি আমাদের জানাবে এবার বাংলাদেশের কী ধরনের স্যাটেলাইট প্রয়োজন হবে। কমিউনিকেশন বা অবজারভেটরি যে ধরনের স্যাটেলাইটের জন্যই পরামর্শ দিক আমরা সেটি নিয়ে কাজ করবো। তিনি জানান, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে দ্বিতীয় স্যাটেলাইটের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। এই মেয়াদেই তা করা হবে। খুশির খবর হচ্ছে ২০২১ সাল থেকেই এই প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।
শাহজাহান মাহমুদ বলেন, বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে যে খরচ হয়েছিল এবার তার চেয়ে কম হবে। বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পর এর গ্রাউন্ড স্টেশনসহ সব ধরনের অবকাঠামো সুবিধা এখন রয়েছে। দ্বিতীয়টি উৎক্ষেপণে সেসব খরচ হবে না।
বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিসিএসসিএল) সূত্র জানিয়েছে, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ কেমন হবে, কী কী কাজে ব্যবহার করা যাবে সব প্রশ্নের উত্তর এপ্রিলের মধ্যেই চূড়ান্ত হয়ে যাবে। ২০২৩ সালের মধ্যে স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণে দ্রুততার সঙ্গে কাজ করা হচ্ছে।
বিসিএসসিএল চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ বলেন, পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্প্রতি প্রায় দুই লাখ মার্কিন ডলার মূল্যে চুক্তি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি জানুয়ারিতেই কাজ শুরু করবে। আগামী মার্চের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি সাটেলাইট উৎক্ষেপণে তাদের পরামর্শ উপস্থাপন করবে। যোগাযোগের পাশাপাশি আবহাওয়া, সামরিক বা নিরাপত্তা সংক্রান্ত কাজে ব্যবহারের সুযোগ রেখে স্যাটেলাইট-২ উৎক্ষেপণ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানান। দেশের দ্বিতীয় স্যাটেলাইট হবে ‘হাইব্রিড’।
দেশের প্রথম বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ একটি ‘জিওস্টেশনারি কমিউনিকেশন’ স্যাটেলাইট হওয়ায় ক্যাবল যোগাযোগের কাজে লাগছে। জিওস্টেশনারি কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট ছাড়াও কমিউনেকশন, রিমোট সেনসিং, নেভিগেশন, জিওসেনট্রিক অরবিট টাইপ স্যাটেলাইট, পোলার স্যাটেলাইটসহ নানা কাজের জন্য ভিন্ন ভিন্ন স্যাটেলাইট রয়েছে।
প্রসঙ্গত, দেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ হলো কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট। এই স্যাটেলাইট নিয়ে কাজ শুরু হয় ২০০৭ সালে। ২০১৩ সালে রাশিয়ার ইন্টারস্পুটনিকের কাছ থেকে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের বর্তমান কক্ষপথটি কেনা হয়। ২০১৮ সালের ১১ মে এটি মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়। স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ তৈরি, উৎক্ষেপণ ইত্যাদিতে খরচ হয় প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা।
স্থাপিত হচ্ছে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল : ‘ফাইভ জি’ সহায়ক শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পাশাপাশি চাহিদা অনুযায়ী উচ্চ গতির ইন্টারনেট নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশকে তৃতীয় সাবমেরিন কেবলের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সেই লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন’ শীর্ষক একটি প্রকল্প গত ৮ ডিসেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নেওয়া এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)।
পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য মো. মামুন আল রশিদ বলেন, বাংলাদেশের জন্য নির্ভরযোগ্য ও কার্যকর আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো শক্তিশালী করতেই প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশ তৃতীয় সাবমেরিন কেবলে যুক্ত হবে।
সূত্র জানিয়েছে, তৃতীয় সাবমেরিন কেবলে সংযুক্ত হলে বাংলাদেশ ১২ টিবিপিএস (টেরাবাইটস পার সেকেন্ড) ব্যান্ডউইথ পাবে। ছয় টিবিপিএস সিঙ্গাপুর প্রান্তে, অবশিষ্ট ছয় টিবিপিএস ফ্রান্স প্রান্তে থাকবে। একইসঙ্গে চালু থাকবে সি-মি-উই-ফাইভ। সি-মি-উই-ফোরও সচল থাকবে। ফলে দেশে কোনো ব্যান্ডউইথের ঘাটতি তো থাকবেই না। বরং প্রচুর ব্যান্ডউইথ তখন উদ্বৃত্ত থাকবে। বাংলাদেশ ব্যান্ডউইথ রফতানি করেই প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারবে।
তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল প্রসঙ্গে মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, এই প্রকল্পে আমরা আগেই সম্মতি দিয়েছি। এখন কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে চুক্তি হতে বাকি। জানুয়ারি মাসের মধ্যেই চুক্তি সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদী জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তৃতীয় সাবমেরিন নির্মাণ (কনসোর্টিয়াম) করতে হুয়াওয়ে ২০ মিলিয়ন ডলার কম দর প্রস্তাব করেছে। কিন্তু বাগড়া দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্র হুয়াওয়েকে কাজ দিতে দেবে না। আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে বলেছি, ঠিক আছে- ২০ মিলিয়ন ডলার কমে যে কাজ করে দেবে তাকে আমরা কাজ দেব। তোমার দেশের কাউকে করে দিতে বলো। বিষয়টি এখন এই অবস্থায় আছে। আশা করি জানুয়ারির মধ্যে সমাধান হয়ে যাবে।
প্রথম সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হতে বাংলাদেশের খরচ হয় প্রায় ৭৫০ কোটি টাকা। আর দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হতে প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৯৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় ৩০১ কোটি টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে জোগান দেওয়া হবে। বাকি ৩৯২ কোটি টাকার যোগান দেবে প্রকল্প বাস্তবায়কারী কোম্পানি বিএসসিসিএল।
ইন্টারন্যাশনাল লংডিস্টেন্স টেলিকমিউনিকেশনস সার্ভিস (আইএলডিটিএস) পলিসি ও আইসিটি নীতিমালার আলোকে দেশে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে বিএসসিসিএল অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে। বিটিআরসি থেকে লাইসেন্স পাওয়া তিনটি ইন্টারন্যাশনাল টেরেস্ট্রিয়াল ক্যাবল (আইটিসি) সার্ভিসেস অপারেটর কোম্পানিও একই কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে দেশের চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশ ব্যান্ডউইথ বিএসসিসিএল এককভাবে সরবরাহ করছে। বর্তমানে কক্সবাজার ও কুয়াকাটায় ল্যান্ডিং স্টেশনের মাধ্যমে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া, মধ্য পূর্ব পশ্চিম ইউরোপ-৪ বা (এসএমডব্লিউ-৪) ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া ও পূর্ব এশিয়া, মধ্য পূর্ব পশ্চিম ইউরোপ-৫ (এসএমডাব্লিউ-৫) সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হয়ে বিএসসিসিএল ব্যান্ডউইথ সেবা দিচ্ছে। প্রস্তাবিত নতুন প্রকল্পের আওতায় ১৩ হাজার ২৭৫ কিলোমিটার কোর সাবমেরিন ক্যাবল এবং এক হাজার ৮৫০ কিলোমিটার ব্রাঞ্চ সাবমেরিন ক্যাবল বসাতে হবে।
প্রকল্প প্রস্তাবে বলা হয়েছে, সিঙ্গাপুর থেকে ফ্রান্স পর্যন্ত সংযুক্ত এসএমডাব্লিউ-৬ সাবমেরিন ক্যাবল ভারত মহাসাগর, আরব সাগর, লোহিত সাগর হয়ে ভূমধ্যসাগর অবধি বিস্তৃত হবে। এর কোর ল্যান্ডিং স্টেশন হবে সিঙ্গাপুর, ভারত, জিবুতি, মিসর ও ফ্রান্সে। বাংলাদেশের ব্রাঞ্চটি বঙ্গোপসাগর হয়ে কক্সবাজারে ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন পর্যন্ত বিস্তৃত হবে।
বিএসসিসিএল ও আইটিসির ব্যান্ডউইথ ব্যবহার বিশ্লষণ করে দেখা যায়, গত কয়েক বছরে দেশে ব্যান্ডউইথ ব্যবহার বৃদ্ধির হার প্রায় ৭০ শতাংশ। এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আরো কয়েক বছর অব্যাহত থাকতে পারে বলেই সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। ২০২১ সাল নাগাদ দেশে ৫জি সেবা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। সেক্ষেত্রে ব্যান্ডউইথের চাহিদা আরো বৃদ্ধি পাবে।
২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল এসএমডাব্লিউ-৪ এবং ২০১৭ সালে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল এসএমডাব্লিউ-৫ এ যুক্ত হয়। আলাদা দুটি কনস্টোমিয়ামের মাধ্যমে এই সাবমেরিন ক্যাবল দুটি পরিচালিত হচ্ছে।
প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল এসএমডাব্লিউ-৪ এর ২০ বছরের আয়ুষ্কাল আগামী ২০২৫ সালে শেষ হয়ে যাবে। ইতোমধ্যে এ ক্যাবল ১৫ বছরের পুরনো হয়ে যাওয়ায় সেবা বিঘ্নিত হওয়ার হার বেশি। তাছাড়া তুলনামূলকভাবে পুরনো প্রযুক্তি কারণে এই ক্যাবলের মাধ্যমে যথেষ্ট দ্রুত গতির সেবা পাওয়া যাচ্ছে না বলে এর সংযোগ নেওয়ার আগ্রহ কম। এসব বিষয় বিবেচনা করেই বাংলাদেশকে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে প্রকল্প প্রস্তাবে জানানো হয়েছে। এনএমএস।



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : হাউস নং ৩৯ (৫ম তলা), রোড নং ১৭/এ, ব্লক: ই, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ফোন: +৮৮-০২-৪৮৮১১৮৩১-৪, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮
ই-মেইল : বার্তা- [email protected] বিজ্ঞাপন- [email protected]
দৈনিক আজকালের খবর লিমিটেডের পক্ষে গোলাম মোস্তফা কর্তৃক বাড়ি নং-৫৯, রোড নং-২৭, ব্লক-কে, বনানী, ঢাকা-১২১৩ থেকে প্রকাশিত ও সোনালী প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড (২/১/এ আরামবাগ), ইডেন কমপ্লেক্স, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক আজকালের খবর
Web : www.ajkalerkhobor.com, www.eajkalerkhobor.com