ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ  মঙ্গলবার ● ২৭ অক্টোবর ২০২০ ● ১২ কার্তিক ১৪২৭
ই-পেপার  মঙ্গলবার ● ২৭ অক্টোবর ২০২০
শিরোনাম: রিফাত হত্যা মামলায় ১১ কিশোরের সাজা, খালাস ৩       কাউন্সিলর ইরফান কোয়ারেন্টিনে       রিফাত হত্যা : ১৪ কিশোরের রায় পড়া শুরু       দেশের ইতিহাসে প্রথম, তিন কার্যদিবসে হলো মামলার রায়       ফরাসি দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা       কাঁঠালবাগানে গলিতে পড়েছিল তরুণের লাশ       পাকিস্তানে মাদরাসায় বিস্ফোরণে নিহত ৭, আহত ৭০      
প্রিন্ট সংস্করণ
আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা নিশ্চিতে এনইএসি হচ্ছে
নূরুজ্জামান মামুন
Published : Sunday, 18 October, 2020 at 1:54 AM


আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষার নিশ্চিতে উন্নত দেশগুরোর আদলে  ‘জাতীয় শিক্ষা মূল্যায়ন কেন্দ্র-এনইএসি’ প্রতিষ্ঠা করছে সরকার। যার কাজ হবে শিক্ষার্থীদের ফলাফলে সাম্যতা নিশ্চিত ও পরীক্ষা পদ্ধতির উন্নয়ন করা। শিক্ষার আনতর্জাতিক মান নিশ্চিতকরণে  পরীক্ষা ও মূল্যায়ন, শিক্ষার্থীদের সার্বিক কৃতিত্ব যাচাই , গবেষণা ও প্রশিক্ষণে কাজ করবে এনইএসি। আইনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করতে এরইমধ্যে ‘জাতীয় শিক্ষা মূল্যায়ন কেন্দ্র আইন-২০২০’ এর খসড়া তৈরি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। 
সূত্র জানায়, পাঠ্যপুস্তকের বিষয়ের ওপর শিক্ষকদের দক্ষতার অভাবে শিক্ষার্থীদের সঠিক মেধা যাচাই করতে প্রশ্ন প্রণয়নে ব্যর্থ হচ্ছেন অনেক শিক্ষক। পাবলিক পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র (খাতা) সঠিকভাবে মূলায়ন করতে পারছেন না। যার খেসারত দিতে হয় শিক্ষার্থীদের। এ অবস্থার উত্তরণ ঘটিয়ে গবেষণা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষকদের প্রশ্ন প্রণয়নে দক্ষ ও শিক্ষার্থীদের সঠিক মূল্যায়ন করে শিক্ষার মান আন্তর্জাতি পর্যায়ে উন্নীত করতে স্থাপন করা হচ্ছে ‘জাতীয় শিক্ষা মূল্যায়ন কেন্দ্র-এনইএসি’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে  ভার্চুয়াল সভা হয়েছে। সভায় আইন প্রণয়নের যৌক্তিকতা তুলে ধরে একটি সার-সংক্ষেপ উপস্থাপন করা হয়। তাতে বলা হয়, সাম্প্রতিক দশকগুলোতে শিক্ষাক্ষেত্রে দেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। এখন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষার গুনগতমান উন্নয়ন নিশ্চিত করা দরকার। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান অগ্রগতিতে আর্থ-সামাজিক বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন নিশ্চিত করা প্রয়োজন। গুনগত শিক্ষা অর্জন নির্ভর করে যথাযথ পরীক্ষা ও মূল্যায়নের ওপর। উন্নতবিশে^ গুনগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান রয়েছে। উদাহরণ দিয়ে বলা হয়- যুক্তরাজ্যে ‘ও কিউ ইউ এ এল’, যুক্তরাষ্ট্রে ‘এন এ ইউ পি’, অষ্ট্রেলিয়াতে ‘এ সি ই আর’, ভারতে ‘ এন সি ই আর টি’, হংকং এ ‘এইচ কে ই এ এ’, সিঙ্গাপুরে ‘সি ই এন টি এস’ এবং থাইল্যান্ডে ‘এ আই ই টি এস’ রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ দেশের পরীক্ষা পদ্ধতি ও শিক্ষার্থীদের সঠিক মূল্যায়ন নির্ধারণে কাজ করে।
বাংলাদেশের মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থী মূল্যায়ন ও পরীক্ষা পদ্ধতির উন্নয়নে জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ এর সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। শিক্ষার্থী মূল্যায়ন ও পরীক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে ২০০২ সালে একটি উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে ঢাকা শিক্ষাবোর্ডে বাংলাদেশ পরীক্ষা উন্নয়ন ইউনিট (বেডু) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বেডু এরই মধ্যে সৃজনশীল পরীক্ষা পদ্ধতি এবং বিদ্যালয় ভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু করেছে। পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণের মাধ্যমে সফলতা ও দুর্বলতা চিহ্নিতকরণ, শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন পদ্ধতির উন্নয়নে গবেষণা করছে। বেডুর সাফল্যের ধারাবাহিকতায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন ও পরীক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করতে একটি স্থায়ী প্রতিষ্ঠান স্থাপন করতে ২০১৭ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এনইএসি প্রতিষ্ঠায় আইন প্রণয়নের প্রয়োজন রয়েছে বলে সভায় জানানো হয়। সভায় আইন প্রণয়নের ধারণাপত্র উপস্থাপন করা হয়। ধারণাপত্র উপস্থাপন করে সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ইনভেস্টমেন্ট প্রোগাম (সেসিপ)। ধারণা পত্রের ওপর বিস্তারিত আলোচনা শেষে খসড়া আইন তৈরির অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রণালয়।
সেসিপের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমানে বাংলাদেশের পাবলিক পরীক্ষার গবেষণা ও উন্নয়ন, গুনগতমান এবং প্রশ্নের মান নিশ্চিত করার জন্য কোনো দায়বদ্ধ প্রতিষ্ঠান নেই। সমসাময়িক বিশে^র পরীক্ষা উন্নয়ন ও অধ্যায়নের সঙ্গে বাংলাদেশের পরীক্ষা পদ্ধতির মানের সামাঞ্জস্য বিধানের কোনো ব্যবস্থা নেই। বর্তমানে দেশের পাবলিক পরীক্ষায় জিপিএ নির্ধারণে সাম্যতা নেই। এসব সমস্যা সমাধানের জন্য এনইএসি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এনইএসি স্থাপনের জন্য এরই মধ্যে আইনের খসড়া তৈরি করা করা হয়েছে।
২৭টি ধারা সংবলিত খসড়া আইনে বলা হয়েছে, পাবলিক পরীক্ষার গুনগতমান তথা-পরীক্ষার যথার্থতা ও নির্ভরযোগ্যতা, ন্যায্যতা ও সাম্যতা অর্জনে কাজ করবে এনইএসি। প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম কাজ হবে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন ধারার পরীক্ষা তথা জেএসসি/জেডিসি,এসএসসি/দাখিল/এসএসসি (ভোকেশনাল), এইচএসসি/আলিম/ফলাফলের মধ্যে সাম্যতা আনা। এছাড়া পাবলিক পরীক্ষার বিভিন্ন বিভাগ বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য আবশ্যিক/বিকল্প বিষয় এবং জিপিএ এর মধ্যে সাম্যতা নিশ্চিত করা।
সেসিপ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রতি বছর পাবলিক পরীক্ষায় পরীক্ষকদের ভুলে অসংখ্য শিক্ষার্থী ফেল করেন। সঠিকভাবে খাতা মূল্যায়ন করা হয় না। শিক্ষার্থীরা ফল চ্যালেঞ্জর করে আবেদন করে ফেল থেকে পাস করেন। জিপিএ-পরিবর্তন হয়। পরীক্ষকদের ভুলে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটেছে। এসব সমস্যা সমাধানে কাজ করবে এনইএসি। এছাড়া শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে পাঠদানের ওপর ধারাবাহিক মূল্যায়নের উন্নয়ন ও তদারকি করবে। এছাড়া প্রাক-প্রাথমিক থেকে বিশ^বিদ্যালয়ের বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফলের মধ্যে সমন্বয় করবে।
সভায় সেসিপের যুগ্ম পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. সামসুন নাহার বলেন, সেসিপের অন্যতম কর্মসূচি হচ্ছে-পরীক্ষা পদ্ধতি ও শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন ব্যবস্থার উন্নয়ন। এরই মধ্যে বেডু প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সৃজনশীল পরীক্ষা পদ্ধতি এবং বিদ্যালয় ভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। নিয়মিত পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণের মাধ্যমে সবলতা ও দুর্বলতা চিহ্নিত করে শিক্ষার্থী মূল্যায়নের গবষেণা পরিচালিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় সংসদে আইন পাসের মাধ্যমে একটি স্থায়ী প্রতিষ্ঠান স্থাপন করতে আইনের খসড়া তৈরি করা হয়েছে।
সেসিপের টিম লিডার ড. আমানুল্লাহ জানান,  এসডিজি অর্জন, ই-৯ ও জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ এর সঙ্গে সামাঞ্জস্য রেখে এনইএসি প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি স্থাপন হলে এটি শিক্ষা বোর্ডগুলোর পরিপূরক ও সহযোগিতামূলক সংস্থা হিসেবে কাজ করবে। তিনি আরো জানান, গবেষণা ও গবেষণা সম্পর্কিত সক্ষমতা বৃদ্ধি, মূল্যায়ন ও পরীক্ষার প্রক্রিয়া এবং ফলাফলের মান নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিবে এনইএসি। শিক্ষা বোর্ডের নেওয়া পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল এবং প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে ধারাবাহিক মূল্যায়নের প্রাপ্ত নম্বরের সমন্বয় সাধণের মাধ্যমে ফলাফল প্রমিতকরণে বোর্ডগুলোকে সহায়তা করবে। প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক শিক্ষার মান যাচাইয়ের জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মূল্যায়ন সম্পাদন। মূল্যায়নের বিষয়ে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ চাহিদা নিরুপণ ও প্রশিক্ষণ আয়োজন। পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল বিষয়ে গুনগত প্রতিবেদন প্রস্তুত ও সুবিধাভোগীদের নিকট প্রতিবেদন তুলে ধরা। পরীক্ষার সঠিক মূলায়নের পাশাপাশি গুনগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সঙ্গে সমন্বয় করবে। প্রশ্নপত্র তৈরি ও খাতা মূল্যায়নে অসামঞ্জস্য দূর করতে শিক্ষকদের সহযোগিতা করবে।
বেডুর ঊর্ধ্বতন বিশেষজ্ঞ প্রফেসর রবিউল কবীর চৌধুরী বলেন, সঠিক পদক্ষেপ ও তদারকির অভাবে এবং একই ধরনের প্রশ্ন ও গড়পড়তা নম্বর প্রদানের প্রবণতার কারণে উচ্চ মেধাবী শিক্ষার্থী ও অপেক্ষাকৃত কম মেধাবী শিক্ষার্থীর মধ্যে পার্থক্য করা সম্ভব হচ্ছে না। শিক্ষাক্রমের উদ্দেশ্য সম্পর্কে শিক্ষকদের বোধ্যগম্যতার অভাবে শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাইয়ে প্রশ্ন তৈরি করতে শিক্ষকদের অপারদর্শিতা, বিষয়ের অধ্যায় ভিত্তিক প্রশ্ন প্রণয়নে অনীহা, একই অধ্যায় থেকে একাধিক প্রশ্ন, শিখন ফল যাচাইয়ে একই ধরণের প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি প্রশ্নপত্রের মান নিশ্চিত ও নম্বর বন্টন বিঘ্নিত হচ্ছে। এসব সমস্যা সমাধানে গবেষণা ও তদারকি করতে কোনো  সংস্থা না থাকায় শিক্ষার গুনগত মান অর্জন সম্ভব হচ্ছে না।
আইনের খসড়ায় বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি হবে বিশেষায়িত ও স্বশাসিত। ২১ সদস্য বিশিষ্ট বোর্ড সভার মাধ্যমে পরিচালিত হবে। শিক্ষামন্ত্রী হবেন বোর্ডের চেয়ারম্যান। বোর্ড সভার সদস্য হবেন- প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী, ইউজিসি চেয়ারম্যান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব, শিক্ষার দুই বিভাগ ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির মহাপরিচালক, এনসিটিবির চেয়ারম্যান, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, পরিচালক (প্রশাসন ও যোগাযোগ-এনইএসি), তিন জন প্রধান বিশেষজ্ঞ, রাষ্ট্রপতিমহাপরিচালক-এনইএসি। মহাপরিচালক বোর্ড সভার সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। বোর্ড তাকে চার বছরের জন্য পদায়ন করবে। তিন জন বিশেষজ্ঞ বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত হবেন। বোর্ড সভা নীতি সমন্বয়, যোগাযোগ ও প্রকাশনা, প্রশাসন, অর্থ ও আন্তঃ সংগঠন বিষয়ক কমিটি গঠন করতে পারবে। 
আইনের খসড়ায় প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের বিষয়ে বলা হয়েছে, এনইএসি একটি শ্রেষ্ঠ উৎকর্ষতার কেন্দ্র হিসেবে শিক্ষার মান উন্নয়ন, পরীক্ষা ও মূল্যায়ন, শিক্ষার্থীদের সার্বিক কৃতিত্ব যাচাই-উন্নয়নের বিষয়ে গবেষণা ও প্রশিক্ষণে কাজ করবে। শিক্ষার মান উন্নয়নের বিষয়ে নীতিমালা তৈরিতে সহায়তা করবে। শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ও সার্বিক কৃতিত্ব যাচাইয়ে উপকরণ প্রস্তুত, যাচাই ও প্রায়োগিক পদ্ধতি উদ্ভাবনে সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষনের মাধ্যমে দক্ষতা বাড়াবে। পরীক্ষা ও কৃতিত্ব যাচাই পদ্ধতি বিষয়ে অনুসন্ধান, গবেষণা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে। জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে শিক্ষার মান উন্নয়নে সমীক্ষা, অনুসন্ধান ও গবেষণা, কর্মশালা আয়োজন করবে। পেশাদার গবেষকদের জন্য ফেলোশিপ ও রিসার্স এসোসিয়েটশিপের ব্যবস্থা করবে। এনএমএস।                                                                



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : হাউস নং ৩৯ (৫ম তলা), রোড নং ১৭/এ, ব্লক: ই, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ফোন: +৮৮-০২-৪৮৮১১৮৩১-৪, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮
ই-মেইল : বার্তা- [email protected] বিজ্ঞাপন- [email protected]
দৈনিক আজকালের খবর লিমিটেডের পক্ষে গোলাম মোস্তফা কর্তৃক বাড়ি নং-৫৯, রোড নং-২৭, ব্লক-কে, বনানী, ঢাকা-১২১৩ থেকে প্রকাশিত ও সোনালী প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড (২/১/এ আরামবাগ), ইডেন কমপ্লেক্স, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক আজকালের খবর
Web : www.ajkalerkhobor.com, www.eajkalerkhobor.com