শনিবার ২২ জুন ২০২৪
বহুবর্ণময়তায় বিভাসিত রবীন্দ্র কাব্য
আমির হোসেন
প্রকাশ: শনিবার, ৮ জুন, ২০২৪, ৩:৪৯ PM
কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক রবীন্দ্রনাথ। মূলত কবি হিসেবেই তার প্রতিভা বিশ্বময় স্বীকৃত। বিস্ময়কর প্রতিভার অধিকারী বাংলাভাষা ও সাহিত্যকে এক হাজার বছর এগিয়ে নেওয়ার কৃতিত্ব তারই। এ মহান কবিকে ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। এশিয়ার বিদগ্ধ ও বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম এই পুরস্কার জয়ের গৌরব অর্জন করেন।

যুগে যুগে পৃথিবীতে সাহিত্য, সংস্কৃতি, সভ্যতা, দর্শন ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে যে রূপান্তর ঘটেছে, রবীন্দ্রনাথ সবকিছুকেই আত্মস্থ করেছেন গভীর অনুশীলন, ক্রমাগত নিরীক্ষা এবং বিশ্বপরিক্রমার মধ্য দিয়ে। তাই তার সাহিত্যজীবনের নানা পর্যায়ে বিষয় ও আঙ্গিকের নিরন্তর পালাবদল লক্ষণীয়। এই পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফসল তার অসংখ্য কবিতা, গান, ছোটগল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, নাটক, গীতিনাট্য, নৃত্যনাট্য, ভ্রমণকাহিনী, চিঠিপত্র এবং দেশে বিদেশে প্রদত্ত বক্তৃতামালা।

রবীন্দ্রনাথকে অনেকে অনেকভাবে বিচার করেছেন, কিন্তু তার সম্বন্ধে শেষকথা বলা কারো পক্ষে সম্ভব হয়নি। তবু বলা যায় রবীন্দ্র কাব্য বহুবর্ণময়তায় বিভাসিত। তার কাব্য কখনো রক্ষণশীল ধ্রুপদি শৈলীতে কখনো হাস্যোজ্জ্বল লঘুতায়, কখনো বা দার্শনিক গাম্ভীর্যে, আবার কখনো বা আনন্দের উচ্ছ্বাসে মুখরিত। তবে তার কবিতায় প্রতিভাত হয়ে উঠে যে মানুষ মৃত্যুর পরও ধরনীর সঙ্গে স্নেহ-মমতার শত বন্ধনে জড়িয়ে থাকতে চান। এ বিষয়টি আমরা রবীন্দ্রনাথের মধ্যে দেখতে পায়। এই বিশ্বের প্রতি কবির অন্তরের এক সুগভীর প্রেম, সংসারের জন্য একটি ঐকান্তিক আর্তি, এই পৃথিবীর মধ্যে যে কোনোভাবে বেঁচে থাকার মর্মান্তিক ব্যকুলতা, যা রবীন্দ্র-কাব্যে দেখা যায়। পৃথিবী যেন কবির কাছে স্বর্গের চেয়েও বড়। স্বর্গের চাইতে মাটির পৃথিবীর প্রতি তিনি অনেক বেশি গভীর আকর্ষণ অনুভব করেন। এই পৃথিবীতে যা কিছু অত্যন্ত সাধারণ, অতি তুচ্ছ-কবির ভালোবাসা যেন তাদের কাছেই বিশেষভাবে বাধা পড়েছে। তাই অত্যন্ত সাধারণ বস্তুও তার ভালোবাসার দৃষ্টিতে অসাধারণ হয়ে উঠেছে। কবির ভালোবাসার গৌরবে তারাও গৌরবান্বিত। কবির ভাষায়-

আমার এ যে মাঠের বাঁশি মাঠের সুরে/আমার সাধন,/আমার মনকে বেঁধেছে যে ধরনীর মাটির বাঁধন/দূরে থাকার খেয়াল হলে সবাই মোরে/ঘিরে থামায়-/গাঁয়ের আকাশ সজনে ফুলের হাতছানিতে/ডাকে আমায়।
মাটি আর পৃথিবী এবং তার অসহায় মানুষগুলি এমনভাবে কবির মনকে ভুলিয়েছে যে, এদের ছেড়ে কবি স্বর্গে গিয়েও বাসা নিতে চান না। তাই তিনি বলেছেন-

আমার মনে একটুও নেই বৈকুণ্ঠের আশা।/ঐখানে মোর বাসা,/যে মাটিতে শিউরে উঠে ঘাস/যার পরে ওই মন্ত্র পড়ে দক্ষিণে বাতাস।

জীবনবোধের এই প্রবল আকাক্সক্ষার তাগিদেই ধরনীর প্রতি ভালোবাসার আবেগি রোমাঞ্চিত কবির দেহমন। তাই এ পৃথিবীর সামান্যতম বস্তর নাম করতেও তার দুচোখ ছাপিয়ে জল আসে। পৃথিবীর প্রতি তার কী প্রগাঢ় আকর্ষণ! তাই বিমুগ্ধ কবি উচ্চারণ করেন-

এই যে কালো মাটির বাসা শ্যামল/সুখের ধারা/এরি গোপণ হৃদয় পরে ব্যথার স্বর্গ/ বিরাজ করে/ দুঃখে আলো করা।/আমার দুচোখ ভরে/মাটি আমার ডাক পাঠিয়েছে/শীতের ঘুঘু ডাকা দুপুর বেলায়/রাঙা পথের পরে।

সামান্যকে এমন মহৎ করে ভাবা, তুচ্ছকে দুর্লভ করে দেখা, মানুষের মনুষ্যত্বর এমন অপরিসীম মূল্যবোধ একমাত্র রবীন্দ্রনাথের মধ্যেই দেখা যায়। বিশ্ব সাহিত্য ভান্ডারে রবীন্দ্রনাথের এ মূল্যবোধ অনন্য ও অতুলনীয়। রবীন্দ্রনাথ শুধু মানুষের কবি ও পৃথিবীর কবি নন, তিনি মানুষের নতুন বোধের উদগাতা, জাগতিক পার্থিবতার পূজারী। এই পার্থিবতা তার কাছে শুধু প্রত্যক্ষ সত্যই নয়, তার ধ্যানমন্ত্রও। যা পার্থিব, তাই তার কাছে আকর্ষণীয়, তাকেই তিনি প্রবল আগ্রহে ও গভীর ভালোবাসায় বুকে জড়িয়ে ধরেছেন। ভালোবাসার আবেগে এই পৃথিবী তার ধূলিমাটি সমস্তই কবির কাছে অত্যন্ত মাধুর্যময় বলে প্রতিভাত হয়েছে। তাই আবেগ আপ্লুত কণ্ঠে কবি বলেছেন-

এ দ্যুলোক মধুময় মধুময় পৃথিবীর ধূলি/অন্তরে নিয়েছি আমি তুলি,/এই মহামন্ত্রখানি,/চরিতার্থ জীবনের বাণী।
পরীক্ষামূলক কাব্যভাষা সৃষ্টির ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতা ও বাস্তবতাকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। তার প্রসিদ্ধ কাব্যগ্রন্থ-মানসী, গীতাঞ্জলি, সোনার তরী, বলাকা, পূরবী ইত্যাদিতে তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। কবির জীবন ও তার কীর্তির ক্ষণস্থায়ী অস্তিত্বের কথা উপলদ্ধি করা যায় তার সোনার তরী কবিতাটির শেষ পঙক্তি দুটিতে-

শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি/যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী।

পৃথিবীর সমস্ত ক্ষণিকতা, অসহায়তা, সামান্যতার মধ্যে এক অনিবর্চনীয় মাধুর্য, এক সকরুণ ক্ষমতা কবির কাছে যেন জীবন্ত সত্যি, এই কারণে মর্ত্যভূমি তার কাছে অপরূপ, অসাধারণ। সে মাটির পৃথিবী হয়েও কবির কাছে স্বর্গীয়, এমনকি স্বর্গের চাইতেও মহত্তর। এ মর্ত্য কবির কাছে স্বর্গের চেয়েও বহুগুণে অধিক প্রিয়-

মর্ত্যভূমি স্বর্গ নহে,/সে যে মাতৃভূমি তাই তার চক্ষে বহে/অশ্রু জলধারা, যদি দু’দিনের পরে/কেহ তারে ছেড়ে যায়, দু’দন্ডের তরে।/স্বর্গে তব বহুক অমৃত/মর্ত্যে থাক, সুখে-দুঃখে অনন্ত মিশ্রিত/প্রেমধারা অশ্রুজলে চিরশ্যম করি/ভূতলের স্বর্গগুলো।

প্রথম বয়সে পৃথিবীর দুর্বলতা, ক্ষণিকতার মধ্যে যে সকরুণ স্নেহকাতরতা আছে তার জন্যই কবি পৃথিবীকে অধিক ভালোবেসেছেন বলে মনে হয়। কিন্তু শেষ জীবনে এসব যুক্তিতর্ক কবির কাছে অবান্তর হয়ে গেছে। তখন পৃথিবী কেবলমাত্র তার প্রত্যক্ষ সত্যের জোরেই কবির কাছে গৌরবময় হয়ে দেখা দিয়েছে। জীবনবোধের-এ সত্যই কবির কাছে বড় হয়ে দেখা দিয়েছে-তাই উদাত্ত কণ্ঠে তিনি বলেছেন-

‘সত্যের আনন্দরূপ এ ধূলিতে নিয়েছে মূরতি/তাই জেনে এ ধূলায় রাখিনু প্রণতি।’

রবীন্দ্রনাথের কাব্যভাষায় তার ধর্মদর্শনের আভাসও আমরা দেখতে পাই। জীবনের উপান্তে এসেও কালান্তর, সভ্যতার সংকট প্রভৃতি বিখ্যাত প্রবন্ধে তিনি শুধু তার স্বভাবজাত মানবধর্মে বিশ্বাসের পরিচয়ের পাশাপাশি তার কব্যভাষায়ও তিনি এর যথার্থতার প্রমাণ দিয়েছেন। মৃত্যুর পূর্বে রচিত ‘প্রথম দিনের সূর্য’ কবিতায়-
প্রথম দিনের সূর্য প্রশ্ন করেছিল/সত্তার নতুন আবির্ভাব-কে তুমি/মেলেনি উত্তর।/বৎসর বৎসর চলে গেল।/দিবসের শেষ সূর্য শেষ প্রশ্ন উচ্চারিল/পশ্চিম সাগর তীরে নিস্তদ্ভ সন্ধ্যায়-কে তুমি?/পেল না উত্তর।

অসুস্থ কবি মুখে মুখে কবিতাটি উচ্চারণ করেছিলেন, অন্যেরা তা লিখে নিয়েছিল। কবি দীর্ঘ দিনেও তার সত্তার সত্য পরিচয় লাভ করতে পারেননি। মৃত্যুর সাত দিন আগে কবি মুখে মুখেই আরেকটি কবিতা বলে যান। এইটিই তার দীর্ঘ জীবনের শেষ কবিতা।

তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি/বিচিত্র ছলনাজালে/হে ছলনাময়ী!/মিথ্যা বিশ্বাসের ফাঁদ পেতেছ নিপুণ হাতে/সরল জীবনে!/এই প্রবঞ্চনা দিয়ে মহত্ত্বেরে করেছ চিহ্নিত;/.../  সত্যেরে সে পায়/আপন আলোকে-ধৌত অন্তরে অন্তর/.../অনায়াসে যে পেরেছে ছলনা সহিতে/সে পায় তোমার হাতে/শান্তির অক্ষয় অধিকার।

এক চৈতন্যময় মানব সত্তায় নিবিষ্ট কবি ‘প্রথম দিনে সূর্য’ কবিতায় তার নিজের পূর্ণ পরিচয় দিতে পারেননি। শেষ কবিতা তার মানবিক বিশ^াসকে মৃত্যুর পূর্ব-মুহূর্তে বলিষ্ট কণ্ঠে ঘোষণা করে গেছেন। তিনি বলে গেছেন যে, মিথ্যা কোনো ধর্মের ফাঁদে পা দেননি। কারণ তিনি জানেন যে, ধর্ম ছলনা মাত্র। সরল মানুষের জীবনে এ এক মিথ্যা বিশ^াসের ফাঁদ। ধর্মের প্রবঞ্চনা দিয়ে মানুষ তার মহত্ত্বকে চিহ্নিত করে চলেছে।

রবীন্দ্রনাথ জগতের কবি, জীবনের কবি। পার্থিব জীবনের যে ব্যঞ্জনা, যে মহিময়তা কবির কাছে ধরা পড়েছে, সেটি আমাদের কছে অবাস্তব হতে পারে, কিন্তু জগৎ প্রেমিক রবীন্দ্র-কবির কাছে তা অবাস্তব নয়, বরং অতি-মাত্রায় এবং একটু বেশি পরিমাণেই বাস্তব। তাই আমরা নির্দ্বিধায় বলতে পারি, রবীন্দ্রনাথ জীবনের কবি, বাস্তবতার কবি।

জীবনের শেষ পরিণতি, জীবন সায়াহ্নের তীরে দাঁড়িয়ে কবির মনের মধ্যে সতত গুঞ্জরিত হয়েছে জীবনের লেনদেন চুকিয়ে চলে যেতে হবে একাকী। তাই তিনি তার উপলদ্ধি ফুটিয়ে তুলেছেন তার কবিতা ও গানে। কবি বলেছেন-

ভাটার নদী ধায় সাগর পানে কলতানে/ভাবনা মোর ভেসে যায় তারি টানে/যা কিছু নিয়ে চলি শেষ সঞ্চয়/সুখ নয় সে দুঃখ সে নয়, নয় সে কামনা/শুনি শুধু মাঝির গান আর দাঁড়ের ধ্বনি তাহার স্বরে।
একাকী চলে যাওয়ার বোধ হয়তো কবিকে পীড়িত করেছিল। কবি লেখেন-

একদা কোন বেলা শেষে/এলিন রবি করুণ হেসে/শেষ বিদায়ের চাওয়া আমার মুখের পানে চাবে।/পথের ধারে বাজবে বেণু/নদীর কূলে চরবে ধেণু/আঙিনাতে খেলবে শিশু পাখীরা গান গাবে।

কবির ‘সোনার তরী’ কবিতাতেও তিনি সেই অন্তিম চিন্তায় উদ্ভাসিত হয়েছেন। নদীদ্বীপে ধানক্ষেত। দ্বীপের চারপাশে প্রবল স্রোত। সেখানে রাশি রাশি ধান কেটে বিপদের অপেক্ষায় অপেক্ষমান কবি। অপ্রত্যাশিতভাবে এক মাঝিকে পাল তোলা নৌকা নিয়ে আসতে দেখে কৃষক আশার আলোয় বুক বাঁধে। কিন্তু সেই ছোট্ট নৌকায়, ফসলের স্থান হলেও কৃষকের আর স্থান হয় না। তখন নদী তীরে দাঁড়িয়ে থাকে এক কৃষক অপূর্ণতার বেদনা নিয়ে। এখানে নৌকায় কেবল ফসলরূপ মহৎ সৃষ্টিকর্ম থেকে যায়, কিন্তু ব্যক্তিকে চলে যেতে হয় মহাকালের দিকে। তাই কবি লেখেন-

গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা।/কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা।/ধান কাটা হল সারা,/ভরা নদী ক্ষুরধারা খরপরশা-/কাটিতে কাটিতে ধান এল বরষা।।/এখন আমারে লহো করুণা করে।।/ঠাঁই নাই ঠাঁই নাই-ছোট সে তরী/আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।/শ্রাবণ গগন ঘিরে ঘন মেঘ ফিরে,/শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি-/যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী।।

রবীন্দ্রনাথ ছিলেন অনন্ত জীবন, চিরজীবী মানবাত্মা ও প্রকৃতির চিরন্তন সৌন্দর্যের কবি। মৃত্যুকে তিনি দেখেছেন মহাজীবনের যতি হিসেবে। জীবন-মৃত্যু ও জগৎ-সংসার তার নিকট প্রতিভাত হয় অখণ্ডরূপে।

তার রচিত ‘জনগণ মন’ গানটি ভারতের এবং ‘সোনার বাংলা ’ গানটি বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহিত। একজন কবি হিসেবে একজন মানুষের বিশাল গ্রহণযোগ্যতা তার সুবিশাল সৃষ্টিভাণ্ডার। কাব্যগ্রন্থ ৫৬, গীতিপুস্তক ৪, ছোটগল্প ১১৯, উপন্যাস ১২, ভ্রমণ কাহিনী ৯, নাটক ২৯, কাব্যনাট্য ১৯, চিঠিপত্রের বই ১৩, গানের সংখ্যা ২২৩২, আর অংকিত চিত্র প্রায় দুই হাজারের মত। এমন একজন সৃষ্টিশীল ও সাহিত্যভান্ডারে ঋদ্ধ মানুষ সারা পৃথিবীতে দ্বিতীয়জন মেলা ভার।

আজকালের খবর/আরইউ








সর্বশেষ সংবাদ
কিশোরগঞ্জে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি
নয়াদিল্লি থেকে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে অসহায়দের মাঝে ঢেউটিন ও সেলাই মেশিন বিতরণ
ভারত বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু
নন্দীগ্রামে অধিক মূল্যে দই-মিষ্টি বিক্রয়ের অভিযোগে জরিমানা
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স: ওবায়দুল কাদের
তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে যা বললেন নরেন্দ্র মোদি
সালমানকে বিয়ে করলেন নাদিয়া
দিল্লিতে শেখ হাসিনাকে লালগালিচা সংবর্ধনা-গার্ড অব অনার
শেখ হাসিনা-মোদির দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ১০ সমঝোতা স্মারক ও নথি সই
Follow Us
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : হাউস নং ৩৯ (৫ম তলা), রোড নং ১৭/এ, ব্লক: ই, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ফোন: +৮৮-০২-৪৮৮১১৮৩১-৪, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮, ই-মেইল : বার্তা বিভাগ- newsajkalerkhobor@gmail.com বিজ্ঞাপন- addajkalerkhobor@gmail.com
কপিরাইট © আজকালের খবর সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft