ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ  মঙ্গলবার ● ৯ আগস্ট ২০২২ ● ২৫ শ্রাবণ ১৪২৯
ই-পেপার  মঙ্গলবার ● ৯ আগস্ট ২০২২
শিরোনাম: লঞ্চের ধাক্কায় বাল্কহেড ডুবে ২ শ্রমিক নিখোঁজ       জ্বালানিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী       বিদ্যুৎ-জ্বালানি তেল-গ্যাস ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির        পবিত্র আশুরা আজ        ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাড়িতে এফবিআই’র অভিযান       ৬ ব্যাংকের ট্রেজারি বিভাগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ       জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিএনপির দুইদিনের কর্মসূচি      
খুলনায় শিক্ষক হত্যা মামলার রায় ১৭ বছর পর, দুজনের যাবজ্জীবন
খুলনা ব্যুরো
Published : Thursday, 30 June, 2022 at 5:08 PM

খুলনা মহানগরীর খানজাহান আলী থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও মাত্তমডাঙ্গা শ্রীনাথ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুঞ্জির আহমেদ হত্যা মামলায় দুজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মামলা থেকে ছয় আসামিকে খালাস দিয়েছেন বিচারক।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) খুলনা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মাহমুদা খাতুন এ রায় ঘোষণা করেন। হত্যাকাণ্ডের ১৭ বছর পর এই মামলার রায় হলো। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মুঞ্জির মাস্টার মাত্তমডাঙ্গা এলাকার শ্রীনাথ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তিনি খানজাহান আলী থানার তৎকালীন বিএন‌পি সভাপতি ও স্থানীয় এজিএম যুব সংঘের সদস্য ছিলেন।

সাজাপ্রাপ্তরা হচ্ছে- খুলনার খানজাহান আলী থানাধীন গিলাতলা ১নং কলোনির মো. সরোয়ার হোসেনের ছেলে আনোয়ার হোসেন ও একই এলাকার মো. গোলাম জিলানী মল্লিকের ছেলে মো. আশ্রাফ আলী। মামলা থেকে খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- বাদশা শেখ, সোহেল, রুবেল, মেজবাহ উদ্দিন মুকুল, আহাদ ও সেকান্দার ওরফে এসকেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০০৫ সালের ১২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে মুঞ্জির মাস্টার মাত্তমডাঙ্গা যুব সংঘের ভেতরে গিয়ে অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। রাত সোয়া ৯টার দিকে প্রধান ফটক দিয়ে কয়েকজন সন্ত্রাসী সেখানে প্রবেশ করে। কিছু বুঝে ওঠার আগে ওই শিক্ষককে লক্ষ্য করে একের পর এক বোমা নিক্ষেপ করতে থাকে। এর মধ্যে দুটি বোমা শিক্ষকের হাতে ও পিঠে লাগে। মারাত্মক জখম অবস্থায় যুব সংঘের অন্যান্য সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করার পর রাত ১টার দিকে মারা যান। তবে মারা যাওয়ার আগে তিনি ভাই বেনজীর আহমেদের কাছে সব ঘটনার বিবরণ বলে যান।

জীবনের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে নিহতের ভাই বেনজীর আহমেদ অজ্ঞাতদের আসামি করে হত্যা ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় থানায় দুটি পৃথক মামলা করেন। উভয় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন খানজাহান আলী থানার এসআই মো. ফারুকুল ইসলাম। তিনি একই বছরের ১২ ডিসেম্বর বোমা ও ২০০৬ সালের ৩০ জুন হত্যা মামলায় মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, সমাজবিরোধী কাজের ঘোর বিরোধী ছিলেন ওই শিক্ষক। অপরদিকে, আসামিরা নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকায় হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল। এসব কাজের বিরোধিতা করায় তাকে হত্যার পরিকল্পনা করতে থাকে এবং পরে হত্যা করে।

চার্জশিটের বর্ণনা অনুযায়ী, ২০০০-২০০৬ সাল পর্যন্ত খুলনার মানুষ সব সময় চরমপন্থীদের নিয়ে আতঙ্কে থাকতেন। কিছু নেতা মুঞ্জির মাস্টারের কাছে চাঁদা দাবি করে। দাবি করা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়। তাকে হত্যার হুমকিও দেয় তারা। এ সংবাদ জানতে পেরে মুঞ্জির মাস্টার স্থানীয় সাংবাদিক মনিরকে বিষয়টি জানান। মনির বিভিন্ন সভা ও সমাবেশে হুমকিদাতাদের নাম উল্লেখ করে বক্তব্য দিতে থাকেন। এরপর শুরু হয় তাকে হত্যার পরিকল্পনা।

আজকালের খবর/এসএইচ


সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : হাউস নং ৩৯ (৫ম তলা), রোড নং ১৭/এ, ব্লক: ই, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ফোন: +৮৮-০২-৪৮৮১১৮৩১-৪, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮
ই-মেইল : বার্তা বিভাগ- [email protected] বিজ্ঞাপন- [email protected]
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক আজকালের খবর
Web : www.ajkalerkhobor.net, www.ajkalerkhobor.com