ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ  সোমবার ● ১৬ মে ২০২২ ● ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯
ই-পেপার  সোমবার ● ১৬ মে ২০২২
শিরোনাম: টিটিই শফিকুল নির্দোষ: তদন্ত কমিটি       সমালোচনা করার আগে গ্রাম ঘুরে আসার অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর        সম্রাটের জামিন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে দুদকের আবেদন       দিনাজপুরে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেলের ৩ আরোহী নিহত       সম্রাটের উন্নত চিকিৎসা দরকার : বিএসএমএমইউ       প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্পেনের প্রেসিডেন্টের শুভেচ্ছা       ঢাবি ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু       
বিশ্বাস আর ভালোবাসায় পারিবারিক কাঠামো শক্ত হোক
রেজাউল করিম খোকন
Published : Saturday, 14 May, 2022 at 12:08 PM

আমাদের দিনের শুরু ঘর থেকেই। শেষও তাই। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পাল্টে যাচ্ছে আমাদের সবার জীবনযাপন প্রক্রিয়া। সকালের নাস্তার টেবিল থেকে শুরু করে পোশাক-আশাক কিংবা রূপচর্চা সব কিছুতেই পরিবর্তনের ছোঁয়া খুব সহজেই চোখে পড়ে। কিন্তু এত পরিবর্তনের পরেও পরিবারের বন্ধন আজও অটুট রয়ে গেছে। হয়তো সম্পর্কে টানাপোড়ন বেড়েছে, যান্ত্রিকতার গ্রামে পারিবারিক বন্ধনে আগের সেই আন্তরিকতার প্রকাশ কমে যাচ্ছে দিনে দিনে। কিন্তু তারপরও পরিবারের বন্ধনের প্রভাব শত কর্মব্যস্ততায় কিংবা অবসর সময়ে মানুষের প্রতিটি মুহূর্তকে স্পর্শ করে। আমাদের জীবনটা খুব বড় নয়। কিন্তু যতদিন আমরা বাঁচি সুন্দরভাবে বাঁচতে চাই। মানুষের জীবনচক্রকে খুব সহজভাবে বলতে গেলে শুরুটা হয়, বাবা-মায়ের সংসার থেকে। তারপর শৈশব-কৈশোর পেরিয়ে বয়োসন্ধি অতিক্রম করা। কলেজের রঙিন জীবন আর রোমান্সের নৈসর্গিক আঙ্গিনা পেরিয়ে এক সময়ে নিজেই সংসার বাঁধে বাবা-মায়ের আদরের সেই সন্তানটি। এরপর এক সময় সেও সন্তানের বাবা-মা হয়। শুরু হয় আরেকটি প্রজন্মের পথচলা। প্রতিটি মানুষই পারিবারিক বন্ধনের এই চিরন্তন আবহের অন্তর্ভুক্ত। একক কিংবা যৌথ, পরিবার যাই বলি না কেন, যে কোনো মানুষের প্রথম প্রেরণার উৎস তার পরিবার।

বাস্তবিক প্রয়োগে মানুষের জীবনকে দু’ভাগে ভাগ করা যেতে পারে। বিয়ের আগের এবং বিয়ে পরবর্তী জীবন। সভ্যতার ক্রমবিকাশে মানুষ তার পারিপার্শ্বিক দায়িত্ববোধ থেকে অভ্যস্ত হয়েছে পরিবার প্রথায়। প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ পরিবারবদ্ধ হয়ে থাকতে চেয়েছে। তবে যুগে যুগে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পারিবারিক কাঠামোতে পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পারিবারিক কাঠামোতে পরিবর্তন এসেছে আমাদের চাহিদা অনুযায়ী। সুনিয়ন্ত্রিত হয়েছে সবার দাম্পত্য জীবন। স্বামী-স্ত্রীর পাস্পরিক সহযোগিতার এই চিরন্তন অবকাঠামোকে আমরা সহজভাবে বলি সংসার। বাস্তবতার আলোকে যথাযথ পরিকল্পনা হচ্ছে সুখের সংসারের ভিত্তি। সংসার সুখের হয় কেবল রমণীর গুণে নয়, বরং স্বামী-স্ত্রীর পাস্পরিক দু’জনের যৌথ প্রচেষ্টায়। এ প্রচেষ্টায় থাকে আবেগ-অনুভূতি, ভালোবাসা, মন্দলাগা শেয়ারিং। দু’জন দু’জনাতে ভালোভাবে সুখে-দুঃখে পাশাপাশি থাকা। একজনের মতামতের প্রতি অন্যজন গুরুত্ব দেওয়া, দু’জনের প্রতি দু’জনের শ্রদ্ধা, বিশ্বাস, আস্থা, সহানুভূতি প্রভৃতি ভালোবাসায় যেমন গভীরতা আনে তেমনি দাম্পত্য জীবনে জটিলতা কমায়। দাম্পত্য জীবনটা চমৎকারভাবে এগিয়ে যায় সুখের এবং পরিতৃপ্তির চূড়ান্ত গন্তব্যের দিকে সাংসারিক নানা বোঝাপড়ার মাধ্যমে।

সংসারে একই ছাদের নিচে বহুদিন বাস করেও অনেক স্বামী-স্ত্রী জানতে পারেন না তাদের নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া থাকা চাই। নয়তো সাধ ও সাধ্যের স্বপ্নের সাজানো সংসার কোনোদিনই হবে না। সুখী দাম্পত্য জীবনকে বিশ্লেষণ করা কঠিন। কারণ, সুখটা আপেক্ষিক ব্যাপার। একেকজনের কাছে এর স্বরূপ একেক রকম। তারপরেও বলতে হয়, স্বামী-স্ত্রী উভয়ের মধ্যে পরস্পরের প্রতি আস্থা, বোঝাপড়াটা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। ভালোবাসা যতই থাকুক না কেন দু’জনের মধ্যে বোঝাপড়াটা না থাকলে সুখী দাম্পত্য জীবন সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে ফ্লেক্সিবল থাকারও দরকার আছে। এ ছাড়া দু’জনের মধ্যে পরিবারকে গুরুত্ব দেওয়ার মানসিকতা থাকলে সুখী দাম্পত্য জীবন অসম্ভব কিছু নয়। জীবনের সুখ, দুঃখ, কষ্ট, ভালোলাগা, খারাপ লাগা সবকিছু যদি ভাগাভাগি করে নেওয়া যায় তাহলে সংসারে সুখ গড়াগড়ি খাবে, নিশ্চিত করে বলা যায়। দাম্পত্য সম্পর্কের মাঝে দু’জনের প্রতি দু’জনের বিশ্বাস, আস্থা, সম্মান, শেয়ারিং ও ছাড় দেওয়ার মানসিকতা থাকতে হবে। স্বামী-স্ত্রী কেউ কাউকে প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করতে পারবেন না। যার সঙ্গে সম্পর্ক তাকে অবশ্যই ভালো লাগতে হবে। এ ক্ষেত্রে লোক দেখানো মেকি কোনো কিছুর উপস্থিতি মেনে নেওয়া যায় না। দুজনের মধ্যে বিশ্বাস শক্ত হতে হবে। ‘কন্সিডারেট’ ও ‘সেক্রিফাইজিং মাইন্ডেড’ হতে হবে। এ দুটি শব্দ খুব শক্ত হলেও পরস্পরের প্রতি পছন্দের ক্ষেত্রে এ দুটি খুব সহজ সাবলীল হয়ে যায়। দু’জনকে বেশ বুদ্ধি খাঁটিয়ে চলতে হবে। সময়কে সুন্দরভাবে ভাগ করে নিলে কর্মক্ষেত্রে ব্যস্ততা পারিবারিক ক্ষেত্রে সমস্যার সৃষ্টি করে না। স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এ ক্ষেত্রে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরের প্রতি বোঝাপড়া না থাকলে সংসার বেশিদিন টিকে থাকার কথা নয়। দু’জনের মধ্যে কম্প্রোমাইজ ভাবটা থাকতে হবে। তবে এটা বেশি হলে দাম্পত্য জীবনে সুখ থাকে না। নিজেদের চারপাশে যা কিছু আছে তাই নিয়ে কমফোর্টেবল থাকলে দাম্পত্য সুখের পথে আর বাধাবিপত্তি, প্রতিকূলতা থাকে না। এই পৃথিবীতে একেকজন একেক কারণে সুখী হয়। যা সব সময় নির্দিষ্ট করে বলাও যায় না। দাম্পত্য সুখের প্রধান শর্ত হলো, পারফেক্ট লাইফ পার্টনার খুঁজে নেওয়া। জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রায় সকলেই দু’জনের মধ্যে মেন্টাল এ্যাডজাস্টমেন্টকেই গুরুত্ব দেন। দু’জনের মধ্যে যথার্থ রেসপনসিবিলিটি থাকতে হবে। দু’জনের মধ্যে ভালো বোঝাপড়া থাকলে অনেক সংকটময় মুহূর্তও সহজে অতিক্রম করে আসা যায়। বিয়ের জন্য একটু সময় নিয়ে ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নেওয়া  উচিত। যাকে ভালো লাগবে, যাকে ভালো বুঝতে পারা যায়Ñতাকেই বেছে নেওয়া উচিত। তবে বিয়ের আগে থেকে পরিচয় থাকুক বা না থাকুক বিয়ে পরবর্তী স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আন্ডারস্ট্যান্ডিংটাই হবে সুখের সংসারের মূল্য চাবিকাঠি। এই পৃথিবীতে কবে কার সঙ্গে বিয়ে হবে এটা সৃষ্টিকর্তা নির্ধারণ করে রেখেছেন। এখানে মনুষ্যত্ব বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ খুব। এটি থাকলে সব পাওয়া যায়। এটি না থাকলে সততা, উদারতা কিছুই তো টেকে না। সবার সামনে  অথবা সমস্যা সৃষ্টি না করে নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়ার মানসিকতা ধরে রাখতে হবে। প্রতিটি মানুষের ক্ষেত্রে ক্যারিয়ারের গুরুত্ব অনেক।

দাম্পত্য জীবনে এ ক্ষেত্রে যদি বাধা আসে তাহলে সেই ক্যারিয়ার বেশি দূর যেতে পারে না। দু’জনের পারস্পরিক সহযোগিতায় ক্যারিয়ারে সাফল্য তো আসবেই সেই সঙ্গে এটি তাদেরকে নিয়ে যাবে। সামাজিক স্তরবিন্যাসের প্রথম স্তরে। একজনের কাজে অন্যজনের হস্তক্ষেপ কোনোভাবেই সুখকর কোনো ফলাফল বয়ে আনতে পারে না। স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই যদি কর্মজীবী হন এবং একই অফিসে চাকরি করেন সুবিধা-অসুবিধা থাকতেই পারে। একই অফিসে চাকরি করলে দু’জনের কাজের এবং অবসর সময়টা একই হওয়ায় দু’জন দু’জনকে যেমন সময় দিতে পারেন ঠিকঠাকমতো। তেমনিভাবে অফিসের বাইরের পরিকল্পনাগুলো সুন্দরভাবে মিলে যায়। এখানে ভুল বোঝাবুঝির তেমন অবকাশ থাকে না। ভিন্ন পেশায় থাকলে একে অন্যের ব্যস্ততার গুরুত্বটা ঠিক বুঝতে পারে না। একই পেশায় থাকাতে তাদের অধিকাংশ সময় আলোচনার বিষয়বস্তুই থাকে প্রফেশনকে নিয়ে। একই প্রফেশনে থাকার সুবিধা হলো একে অপরের কাজে চাপ বোঝা যায়। সংসারে খরচ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যত সুন্দরভাবে এ বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে সংসারও ততো সুন্দরভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকবে। মাসের শেষে স্বামীর কিংবা স্বামী-স্ত্রী দু’জনের বেতনের টাকা একত্র করে কোন কোন খাতে কত খরচ হবে তার জন্য রাখতে হবে আলাদা আলাদা খাম। চাহিদা অনুযায়ী সে সব খামে বেতনের টাকাটা ভাগ হয়ে যায়। খরচকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে সুকৌশলে। খরচ আয়ের তুলনায় বেশি হলে তা মানসিক অস্থিরতার কারণ হতে পারে। আয়ের মধ্যেই সংসারের যাবতীয় চাহিদাকে সীমাবদ্ধ রাখলেই কোনোরকম অস্বস্তি কিংবা মানসিক অস্থিরতা তাড়া করবে না।

দাম্পত্য জীবনের একটি বড় অংশজুড়ে আছে সন্তান। স্বামী-স্ত্রীর সারাদিনের কর্মক্লান্তির পর সন্তানের মুখটিই যেন প্রশান্তি বয়ে আনে। সন্তানের বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সকল উপদানের ব্যবস্থা করার দায়িত্ব বাবা-মায়ের। সন্তানের বেড়ে ওঠার প্রতিটি ধাপই গুরুত্বপূর্ণ। সন্তানকে যথেষ্ট সময় দিতে আন্তরিক হতে হবে বাবা-মা উভয়কেই। সন্তান হওয়ার পর পরিকল্পিত পরিবারের গুরুত্ব বেড়ে যায়। সংসারে সন্তান আসার আগে স্বামী-স্ত্রীর মানসিক পরিবেশ তৈরি করা। ওর পড়াশোনা, বেড়ে ওঠার পরিকল্পনা এখন থেকেই করতে হবে। পরিকল্পিত পরিবারই শুধু নয়, যাপিত জীবনে পরিকল্পিত যে কোনো বিষয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। অনেকেই বলেন, ডাবল ও সিঙ্গেল লাইফের ব্যবধান আকাশ আর পাতাল। বিবাহিত জীবনটা উপভোগ্য হয়ে উঠতে পারে স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক ইচ্ছার ওপর। যদি এ ক্ষেত্রে কোনো গ্যাপ থাকে তাহলে জীবনটা সে রকম বর্ণাঢ্য হয়ে উঠতে পারে না। সংসারে এক ধরনের টানাপোড়ন লেগে থাকে তিন্যদিন। জীবনে স্থিতিশীলতা এনে দেয় সংসার জীবন। দাম্পত্য জীবনে ঝগড়াঝাটি কিংবা মতের অমিল কিছু কিছু ক্ষেত্রে হতেই পারে। তবে সময়ই আবার সব ঠিক করে দেয়। রিঅ্যাক্ট করলে সমস্যা বাড়ার শঙ্কা বেশি। রিঅ্যাক্ট যতটা কম করা যায় ততই ভালো। দাম্পত্য সংকট সংসার জীবনের একটি অংশ, এটি মনে রাখতে হবে সবাইকে। এ নিয়ে মন খারাপ করার কিছু নেই। 

অনেক সংসারেই দেখা যায় স্বামী-স্ত্রী রাগের বহিপ্রকাশ ঘটান একে অন্যের সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে। তবে তারা বেশিক্ষণ রাগ করে থাকতে পারেন না। পরে সবকিছুই ঠিক হয়ে যায়। এটি চিরন্তন একটি ছবি প্রতিটি সংসারে। একটা বিষয় ধরে বসে থাকা ঠিক নয়। একে অন্যের নিজস্ব সত্ত্বাটা নিয়ে মাথা না ঘামালে সংকট কম হয়। যেহেতু দু’জন নর-নারী দুটি ভিন্ন সত্ত্বা নিয়ে বেড়ে ওঠে। তাই বিয়ের পর রাতারাতি একজন আরেকজনের মনের মতো হয়ে যাবে এটা সম্ভব নয়। পারস্পরিক ম্যাচিং এবং আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ের জন্য সময় দেওয়া উচিত। যে কোনো সংকটে নার্ভাস না হয়ে, মাথা গরম না করে, দু’জনের আলোচনার ভিত্তিতে মোকাবেলা করতে হবে। ভুল স্বীকার করলে ছোট হয়ে যেতে হয় তেমন মানসিকতা থাকলে তা ঝেড়ে ফেলতে হবে স্বামী-স্ত্রী দু’জনকেই। ভুল স্বীকার করলে সংসারে শান্তি-স্বস্তি এমনিতেই চলে আসে। দু’জন দু’জনকে একই সঙ্গে পয়েন্ট আউট করলে মূল সমস্যার সমাধান হবে না। সংকট যেমন কারও কাম্য নয় আবার সংকট না থাকলেও সংসার জীবন একঘেয়ে ক্লান্তিকর মনে হয়। তবে দাম্পত্য সংকট বাড়তে দেওয়া ঠিক নয়। এটা দীর্ঘস্থায়ী হলে সংসারে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে-এটা সবাইকে মনে রাখতে হবে। সভ্যতা ও প্রগতির সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে যাচ্ছে সব নর-নারীর মন-মানসিকতা। জীবনের প্রয়োজনে আমরা সবাই নিজেদের আপডেট করে নিচ্ছি। যারা যোগ্য তারাই শেষ পর্যন্ত জয়ী হয়। সংসার জীবনে এটা অবশ্যই মনে রাখতে হবে। স্ত্রীকে স্রেফ গতানুগতিক জীবনসঙ্গী না ভেবে মায়া মমতায় ভরা, দায়িত্বে সজাগ, গুণেমানে আপোসহীন, তাকে ছাড়া চলে না সংসারে একটি দিন, সত্যি সে প্রতিদিন তুলনাহীন- ভাবতে হবে। 

লেখক : অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার ও কলাম লেখক। 
আজকালের খবর/আরইউ


সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : হাউস নং ৩৯ (৫ম তলা), রোড নং ১৭/এ, ব্লক: ই, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ফোন: +৮৮-০২-৪৮৮১১৮৩১-৪, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮
ই-মেইল : বার্তা বিভাগ- [email protected] বিজ্ঞাপন- [email protected]
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক আজকালের খবর
Web : www.ajkalerkhobor.net, www.ajkalerkhobor.com