ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ  বুধবার ● ২০ অক্টোবর ২০২১ ● ৫ কার্তিক ১৪২৮
ই-পেপার   বুধবার ● ২০ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম: ওমানকে হারিয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখলো বাংলাদেশ       ইভ্যালির বিষয়ে তদন্ত করতে চায় না দুদক       টিকে থাকার লড়াইয়ে বাংলাদেশের পুঁজি ১৫৩ রান        মাসে তিন কোটি ডোজ টিকা দেওয়া হবে        সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসে জড়িতদের দ্রুত ধরার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর        পিএসসির প্রশ্নপত্র ফাঁস করলে ১০ বছর জেল        শনাক্তের হার আজো দুই শতাংশের নিচে      
সমন্বয়হীন উন্নয়ন দুর্ভোগ বাড়াচ্ছে: তাপস
নিজস্ব প্রতিবেদক
Published : Wednesday, 13 October, 2021 at 6:59 PM

ঢাকাকে পুঁজি করে বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়হীন ও অপরিকল্পিত উন্নয়ন কার্যক্রম ঢাকাবাসীর দুর্ভোগ দিনে দিনে বাড়াচ্ছে বলে উল্লেখ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

বুধবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে টিটি পাড়া পর্যন্ত জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি একথা বলেন।

ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে আমাদের ব্যাপক কর্মযজ্ঞ চলমান রয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে নিজস্ব অর্থায়নে ইতোমধ্যে প্রায় ১০৩ কোটি টাকার কার্যক্রম আরম্ভ করেছি। চলতি অর্থবছরেও এই খাতের জন্য প্রায় ৭৪ কোটি টাকা বাজেট সংস্থান রেখেছি। কমলাপুর রেলস্টেশনের আশপাশের জায়গা ব্যাপকভাবে জলাবদ্ধতায় নিমগ্ন থাকে। গত বছর বর্ষাতেও আমরা সেটা লক্ষ্য করেছি। সেজন্য জলাবদ্ধতা নিরসনে আমরা কার্যক্রম আরম্ভ করেছি, বড় নর্দমার সংযোগ করছি। যেটা আগে ছিল না। এখান থেকে বক্স কালভার্ট পর্যন্ত সংযোগ দেওয়া হবে। আমরা আশাবাদী, এই এলাকার জলাবদ্ধতা সম্পূর্ণরূপে নিরসন হবে। এভাবে ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় কাজ চলছে।

মেয়র তাপস বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে যে কার্যক্রম পরিদর্শনে এসেছি, এখানেও নতুন করে এমআরটি লাইন স্থাপনের জন্য তারা আবেদন করেছে। এখানে দেখা যাচ্ছে যে, আমাদের পরিকল্পনার সঙ্গে তাদের পরিকল্পনা সাংঘর্ষিক হচ্ছে। তেমনি শ্যামপুর শিল্পাঞ্চলের জন্য আমরা বৃহৎ কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। কিন্তু অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক পদ্ম রেলসেতুর যে কার্যক্রম, সেই কার্যক্রমের আওতায় যেখান থেকে পানি নিষ্কাশন হতো সেই পানি নিষ্কাশনের মুখগুলো বন্ধ করে দিয়েছে। যার কারণে এখন পুরো শ্যামপুর শিল্পাঞ্চল এই সময়েও জলাবদ্ধতায় নিমগ্ন। তাহলে বর্ষা মৌসুমে কী হতে পারে সেটা চিন্তা করলেই আতঙ্ক হয়!

তিনি আরও বলেন, আমরা তাদের বারবার অনুরোধ করেছি, আমাদের কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা যেন অন্ততপক্ষে সেখানে কালভার্ট করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে। কিন্তু তারা কোনো নজর দিচ্ছে না। এভাবে বিভিন্ন সংস্থা ঢাকাকে পুঁজি করে অপরিকল্পিতভাবে আমাদের সঙ্গে কোনো সমন্বয় ছাড়া কাজ করছে। এতে ঢাকাবাসীর দুর্ভোগ দিনে দিনে শুধু বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমি আবারও সবাইকে অনুরোধ করব, পরিকল্পনা প্রণয়নের আগেই যেন আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করেন। মহাপরিকল্পনার আওতায় আমাদের কার্যক্রমের সঙ্গে সমন্বয় করেই যেন তারা প্রকল্প নেয়।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর সিতওয়াত নাঈম, প্রধান প্রকৌশলী সালেহ আহম্মেদ, সচিব আকরামুজ্জামান, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফুল হকসহ সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলররা।

আজকালের খবর/আতে


সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : হাউস নং ৩৯ (৫ম তলা), রোড নং ১৭/এ, ব্লক: ই, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ফোন: +৮৮-০২-৪৮৮১১৮৩১-৪, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮
ই-মেইল : বার্তা বিভাগ- [email protected] বিজ্ঞাপন- [email protected]
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক আজকালের খবর
Web : www.ajkalerkhobor.net, www.ajkalerkhobor.com