ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ  মঙ্গলবার ● ২৭ জুলাই ২০২১ ● ১২ শ্রাবণ ১৪২৮
ই-পেপার  মঙ্গলবার ● ২৭ জুলাই ২০২১
শিরোনাম: সব মামলায় জামিনের মেয়াদ বাড়ল আরো এক মাস       কুষ্টিয়ায় ২৪ ঘণ্টায় আরো ১৯ জনের মৃত্যু       চট্টগ্রামে একদিনে মৃত্যু ও শনাক্তে নতুন রেকর্ড       অসুস্থ শ্বশুরের পাশে থাকতে আজই ফিরছেন লিটন দাস       লিবীয় উপকূলে নৌডুবি, ৫৭ অভিবাসীর মৃত্যুর আশঙ্কা       রামেক করোনা ওয়ার্ডে আরো ২১ জনের মৃত্যু       ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরো ১৯ জনের মৃত্যু      
ফুরিয়ে যাচ্ছে টেলিভিশন যুগ
সালাহ্ উদ্দিন শোয়েব চৌধুরী
Published : Monday, 19 July, 2021 at 6:05 PM

ঠিক ৪৫ বছর আগে যখন ভিসিআর এলো তখন সবার মুখেই হইচই শুনেছি, সিনেমা হল নাকি ধ্বংস হবে। কিন্তু ভিসিআর মানুষের অন্দরমহলের বিনোদনের সাথী হলেও সিনেমা দেখতে ঠিকই সবাই সিনেমা হলেই গেছেন। এর প্রায় পাশাপাশি সময়ে বাংলাদেশের টেলিভিশন সাদাকালো অধ্যায় থেকে রঙ্গীনে প্রবেশ করলো। তখন টেলিভিশন চ্যানেল মানেই বিটিভি। ওনারা যা দেখাতেন, সেটাই দর্শকদের দেখতে হতো। অনেকটাই স্বৈরাচারী অবস্থা। জানি না তখন বিটিভি কিংবা ভারতের দূরদর্শন কর্মকর্তারা ভুলেও ভেবেছিলেন কিনা ওনাদের দিন একদিন ফুরিয়ে যাবে। এলো বেসরকারী টিভি চ্যানেল, আরো খোলাশা করে বললে স্যাটেলাইট নির্ভর টিভি চ্যানেলগুলো। বিনয়ের সাথে বলছি, বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারী টেলিভিশন চ্যানেলের প্রতিষ্ঠাতা আমিই। আমরা যখন স্যাটেলাইট চ্যানেল চালু করি, এর কিছু আগে থেকেই ভারতে তিনটা বেসরকারী স্যাটেলাইট চ্যানেল। জিটিভি, এল-টিভি এবং এটিএন।  ক্রমশ জিটিভির ব্যবসা প্রসারিত হয়। এল-টিভিতে বড় অংশের শেয়ার কিনে নেয় ষ্টার প্লাস, আর সিদ্ধার্থ শ্রীবাস্তব এর এটিএন চ্যানেলে এক ঘন্টার বাংলা চাংক ভাড়া নেন গার্মেন্টস ব্যবসায়ী মাহফুজুর রহমান। অনেকেই ভুল করে ভাবেন, এটিএন-ই বুঝি বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারী চ্যানেল। আসলে এটিএন ভারতীয় চ্যানেল। বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারী টেলিভিশন চ্যানেলের নাম এ-২১ টিভি। এরপর আসে একুশে টিভি।
যাক, এবার স্যাটেলাইট টেলিভিশনসহ টেরিস্ট্রিয়াল টিভি চ্যানেলগুলোর দিন ফুরিয়ে এলো। আর বড়জোর দু বছর। এরপর টেলিভশিন চ্যানেলের জায়গা নিয়ে নেবে ডিজিট্যাল প্ল্যাটফর্ম। আরো খুলে বললে ওটিটি (ওভার দ্য টপ) প্ল্যাটফর্ম এবং ইউটিউব চ্যানেল।  
বর্তমানে বাংলাদেশে নেটফ্লিক্স এবং এমাজন প্লাটফর্মের গ্রাহক সংখ্যা তিন লাখের বেশী। যেহেতু এগুলোতে বাংলাদেশী কিংবা বাংলা কন্টেন্ট একেবারেই নেই, একারণে এই ওটিটি প্লাটফর্ম কিংবা অন-ডিমান্ড ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মগুলোয় যে পরিমান গ্রাহক হওয়ার কথা ছিলো এর শতকরা ৮ শতাংশও নেই। বাংলাদেশের দর্শকরা একারণেই ভারতীয় ওটিটি প্লাটফর্ম জি-৫ কিংবা হইচই এর প্রতি তুলনামূলক বেশী আগ্রহী হলেও অগুলোতেও বাংলা কন্টেন্ট মানেই পশ্চিম বাংলা’র উচ্চারণে বাংলা, যা আসলে আমাদের এখানকার লোকদের কাছে একেবারেই নিজের ভাষা নয়। তারপরও মন্দের ভালো হিসেবে এগুলো এখনও বাংলাদেশের দর্শক টানছে।
 সম্প্রতি বাংলাদেশে একটা নতুন ওটিটি প্লাটফর্ম চালু হয়েছে। দেশের শীর্ষ শিল্প ও মিডিয়া হাউজ থেকে। এরইমাঝে নতুন এই ওটিটি প্লাটফর্ম নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে টুকটাক পোস্ট দেখছি। এটা ওই প্রতিষ্ঠানের মার্কেট প্রমোশনের অংশ, এটা বুঝতে কষ্ট হচ্ছেনা। কিন্তু এই প্রচারের ঢংয়ে যথেষ্ট ভুল এবং আনাড়িপনা আছে, যা সম্ভাবনামনয় যেকোনো প্রকল্পকে গোড়াতেই নাশ করে দেবে। যারা এই নতুন ওটিটি প্লাটফর্মটি চালু করেছেন, ওনারা হয়তো ভাবছেন, যেহেতু দেশের বড় দুটো পত্রিকা ওনাদের হাতে, একটা ওটিটি প্লাটফর্ম সফল করা ওনাদের কাছে একেবারেই মামুলী ব্যাপার। বিনয়ের সাথে বলছি, এই ধারণা একদম ভুল। নেটফ্লিক্স কিংবা এমাজন প্লাটফর্মের ক্রমবর্ধিষ্ণু জনপ্রিয়তার পেছনে মূল উপাত্ত হচ্ছে কন্টেন্ট। ভালো কন্টেন্ট দিতে ব্যর্থ হলে, ওটিটি প্ল্যাটফর্মের পেছনে যতো বড় মিডিয়া হাউজই থাকুক না কেনো, সেটা মাঝপথে মুখ থুবড়ে পড়বেই।
আরেকটা কথা হলো, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম মানুষ গাঁটের পয়সা খরচ করেই দেখছেন বিশেষত সিরিজ এবং সিনেমা দেখার আশায়। সিনেমা ছাড়া শুধুমাত্র সিরিজ নির্ভর ওটিটি প্ল্যাটফর্মের সাফল্য নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। আবার, সিরিজগুলোর নির্মাণশৈলী হতে হবে অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানের। টেলিভিশন চ্যানেলের ধারাবাহিক নাটকের আদলে ওয়েব সিরিজ বানিয়ে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি দিলে শেষতক ফলাফল হবে শূন্য।
যারাই ওটিটি প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠার কথা ভাবছেন, ওনাদের কিছু কথা বিনয়ের সাথেই বলে নিই। সবার আগে মনে রাখতে হবে, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে ভারচ্যুয়াল সিনেমা হল। মানে, দর্শক ওটিটি প্ল্যাটফর্ম এর কন্টেন্ট মোবাইল ফোনে, পিসিতে, কিংবা টিভি সেটে দেখলেও ওনারা আসলে টিভি চ্যানেলের ফর্মেটে নির্মিত কন্টেন্ট দেখবেন এটা কোনওভাবেই গ্রহণ করবেন না।
ছোট্ট একটা উদাহরণ দিচ্ছি। এখন পর্যন্ত ৯০ মিনিট দৈর্ঘের টেলিফিল্ম হিসেবেই বিবেচনা করি। কিন্তু ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ওই ৯০ মিনিটের কন্টেন্ট এর নাম ৯০-মিনিটের সিনেমা। তার মানে সিনেমার মতোই হতে হবে নির্মাণ আয়োজন থেকে শুরু করে সবকিছু। একারণেই টেলিফিল্মের বাজেট দিয়ে কন্টেন্ট বানিয়ে সেটা ৯০-মিনিটের সিনেমার তকমা দিয়ে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে চালানোর সুযোগই নেই। একটা ৯০ মিনিটের টেলিফিল্ম নির্মাণ করতে যদি খরচ পড়ে ৩-৬ লাখ টাকা, তাহলে ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জন্যে ৯০-মিনিটের সিনেমা বানাতে খরচ পড়বে কমপক্ষে ২৫-৩০ লাখ টাকা। কারণ কি? ওই যে বললাম, সিনেমার মতো করেই এটা নির্মাণ করতে হবে।
কথা আরো আছে। ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জন্যে মাত্র তিনটা মার্ক-৪ জাতীয় ক্যামেরা দিয়ে কাজ করার সুযোগ নেই। এখানে ব্যবহার করতে হবে রেড গ্রেডের ক্যামেরা। তাও তিন-এর অধিক। এর মধ্যে ক্যামেরাগুলো পরিচালিত হবে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতির সাহায্যে। সাথে লাগবে ডিজিট্যাল আলোক ব্যবস্থা এবং অবশ্যই থ্রি-ডি মেকাপ। ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জন্যে ওয়েব সিরিজ বানাতে হলেও একই ধরনের কারিগরী আয়োজন লাগবে। মনে রাখতে হবে, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম মানেই হলো আন্তর্জাতিক বাজারে আমাদের কন্টেন্ট তুলে ধরে সেখান থেকে টাকা আয়। অনেকেই ভাবতে শুরু করেছেন, মাত্র ১০-২০ কোটি টাকা নিয়েই বুঝি একটা ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চালু করা যাবে। হ্যাঁ। সেটা যাবে হয়তো। কিন্তু পরিণতি হবে ভারতের আড্ডা টাইমস-সহ বেশকিছু ধুঁকে মরা ওটিটি প্ল্যাটফর্মের মতোই কিছু একটা। পুরোপুরি আন্তর্জাতিক মানের ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জন্যে ন্যুনতম এক শ কোটি টাকা বিনিয়োগ লাগবেই। এবার অনেকেই প্রশ্ন করবেন, এতো টাকা দিয়ে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম কেনো করতে হবে! উত্তরে বলবো, কেউ কি আপনাদের টুঁটি চেপে ধরেছে এটা করতে? অল্প টাকায় ডিজিট্যাল প্লাটফর্ম করতে হলে ইউটিউব চ্যানেল নিয়েই থাকুন না। ভারচ্যুয়াল সিনেমা হল করতে তো কেউ চাপ দিচ্ছেনা। এবার প্রশ্ন আসবে, অল্প টাকা দিয়ে ইউটিউব চ্যানেল করাই তো ভালো। শতশত কোটি টাকা খাটিয়ে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম করার দরকার টা কি! উত্তর হলো, ইউটিউব চ্যানেলের ভাগ্য নির্ভর করে ইউটিউব কর্তৃপক্ষের ওপর। ওনারা যা বলবেন, সেভাবেই চলতে হবে। তাছাড়া ইউটিউব চ্যানেলে এক ঘন্টার একটা কন্টেন্ট থেকে ধরে নিই যদি ১০ টাকা আয় আসে তাহলে ওটিটি প্ল্যাটফর্মের এক ঘন্টার একটা কন্টেন্ট থেকে আয় আসবে অন্তত পক্ষে ৫০ গুন বেশী। কিভাবে? ওটিটি প্ল্যাটফর্ম দেখতে হলে প্রতি মাসে একটা নির্দিষ্ট  অঙ্কের টাকা দিয়ে গ্রাহক হতে হবে। তারমানে, বাংলা ভাষা কেন্দ্রীক একটা ওটিটি প্ল্যাটফর্মে খুব সহজেই ৫০ লাখ গ্রাহক পাওয়া সম্ভব, কন্টেন্ট যদি ভালো হয়। এবার অংকের হিসেবটা করে দেখুন। মাত্র পঞ্চাশ লাখ গ্রাহক হলে প্রতিমাসে গ্রাহক প্রতি যদি ২৫ টাকাও আসে তাহলে মোট অংকটা দাঁড়াবে সাড়ে ১২ কোটি টাকা। এটা ইউটিউব চ্যানেল থেকে আসবেনা কোনভাবেই।
এবার একটা নির্মম কথা বলে ফেলি। আমাদের দেশীও উদ্যোক্তারা যদি ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চালু নিয়ে আলসেমী করতে থাকেন তাহলে এখানে হুট করেই বিদেশী কোনো প্রতিষ্ঠান কিংবা ওটিটি প্ল্যাটফর্ম এসে আন্তর্জাতিকমানের ওটিটি প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠা করবেই। কারণ, সবাই জানে, টেলিভিশন যুগের অবসান হয়ে গেলে ওটিটি প্ল্যাটফর্মই হচ্ছে বিনোদনের পরবর্তী ঠিকানা।  
এবার আশি টেলিভিশন চ্যানেল প্রসঙ্গে। আগামী দুই বছরে ওটিটি প্ল্যাটফর্মের সংখ্যা বাড়বে। নতুন অনেক ভাষার কন্টেন্ট যুক্ত হবে। দর্শকরা ক্রমশ টেলিভিশন চ্যানেল দেখা ছেড়ে দেবেন। হয়তো নিউজ চ্যানেলগুলো আরো কিছু সময় চলবে, খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। কিন্তু বাকীগুলো বন্ধ কিংবা দেউলিয়া হয়ে যাবে। কারণ, টেলিভিশন চ্যানেলে কিন্তু দর্শকদের ইচ্ছেমাফিক অনুষ্ঠান দেখার সুযোগ নেই। বরং টিভি চ্যানেল যা দেখাবে, সেটাই দর্শককে দেখতে হবে। পাশপাশি, ওটিটি প্ল্যাটফর্মের ক্ষেত্রে দর্শক যেমন নিজের পছন্দ মাফিক কন্টেন্ট তাদের সুবিধাজনক সময়ে দেখে নিতে পারছেন, এটা টিভি চ্যানেলের ক্ষেত্রে সম্ভব নয়। বর্তমানে টেলিভিশন দর্শকের সংখ্যাটা যদি ‘১০’ থাকে তাহলে আগামী এক বছরে ওই সংখ্যাটা ‘৩’ কিংবা আরো নিচে নেমে আসবে। ফলশ্রুতিতে বিজ্ঞাপনদাতারা মুখ ফিরিয়ে নেবেন, নিশ্চিত।
ওটিটি প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি আরেকটা মাধ্যমের ব্যাপক সম্ভাবনা দেখা দিতে যাচ্ছে আগামী দুই বছরে। আর সেটা হলো ইউটিউব। বাংলাদেশে ইউটিউব কন্টেন্ট গুলোয় বর্তমানে যে পরিমান বিজ্ঞাপন থাকছে সেটা আন্তর্জাতিক অন্য চ্যানেলের বিজ্ঞাপনের তুলনায় শতকরা ১০ ভাগেরও কম। তারমানে ভবিষ্যতে ইউটিউব চ্যানেলগুলোয় বিজ্ঞাপনের সংখ্যা অনেক বাড়বে। রেটও বাড়বে। দর্শক প্রতিমাসে গ্রাহক ফিস দিয়ে বিজ্ঞাপনমুক্ত ওটিটি প্ল্যাটফর্ম দেখবেন, কিংবা বিনা খরচে ইউটিউব কন্টেন্ট দেখবেন, বিজ্ঞাপনসহ।
শুনেছি বাংলাদেশে অনেকেই নাকি ভাবছেন ওটিটি প্ল্যাটফর্মের কন্টেন্টেও গ্রাহক ফিস আদায়ের পাশাপাশি বিজ্ঞাপন সংযুক্ত করার বিষয়। এটা যারা ভাবছেন, ওনাদের ওটিটি প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কেই পুরোপুরি জ্ঞান নেই। বিজ্ঞাপন চালানো আর গ্রাহক ফিস আদায়, দুটো একসাথে পৃথিবীর কোনও ওটিটি প্ল্যাটফর্মেই চলেনা। আশাকরি এধরনের ভুল থেকে ওনারা সরে দাঁড়াবেন। কারণ, আমরা কেউই চাইনা বাংলাদেশে চালু হওয়া কোনও ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ব্যর্থ হোক।
বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের গ্রাহক সংখ্যাটা এখন ছয় কোটির বেশী। শতকরা প্রায় ষাট ভাগের হাতেই স্মার্টফোন। তারমানে এদেশে ওটিটি প্ল্যাটফর্মের সম্ভাব্য গ্রাহকের সংখ্যা বিশাল। পাশাপাশি ইউটিউব চ্যানেলের দর্শক সংখ্যাটাও কয়েক কোটি। ভারতের বাংলা ভাষাভাষী দর্শকরা নিয়মিতভাবেই ইউটিউবে বাংলা চলচ্চিত্র-নাটক দেখেন, গান শোনেন। ওনাদের সংখ্যাটাও কিন্তু কয়েক কোটি। বাংলাদেশী ইউটিউব চ্যানেলগুলো হয়তো ভারতে ব্লক করে দেয়া হবেনা। এটা হওয়ার কথাও না। কিন্তু বাংলাদেশী ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলো ভারতীয়দের দেখতে দেবে তো সেখানকার সরকার? অর্থাৎ, বাংলাদেশী ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলোর পক্ষে ভারতীয় গ্রাহকদের কাছ থেকে ফিস আদায় করার অনুমতি দেয়া হবে তো? বাংলাদেশের কোনও টেলিভিশন চ্যানেলই কিন্তু ভারতে ডাউনলিংক করতে দেয়া হয়না, এখনও। ঠিক একইভাবে বাংলাদেশী ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলোকেও ভারতের দর্শকদের জন্যে আটকে দেয়া হবে না তো?
লেখক: গবেষক ও সম্পাদক, ব্লিটজ
আজকালের খবর/টিআর



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : হাউস নং ৩৯ (৫ম তলা), রোড নং ১৭/এ, ব্লক: ই, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ফোন: +৮৮-০২-৪৮৮১১৮৩১-৪, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮
ই-মেইল : বার্তা বিভাগ- [email protected] বিজ্ঞাপন- [email protected]
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক আজকালের খবর
Web : www.ajkalerkhobor.net, www.ajkalerkhobor.com