ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ  মঙ্গলবার ● ২৭ জুলাই ২০২১ ● ১২ শ্রাবণ ১৪২৮
ই-পেপার  মঙ্গলবার ● ২৭ জুলাই ২০২১
শিরোনাম: সব মামলায় জামিনের মেয়াদ বাড়ল আরো এক মাস       কুষ্টিয়ায় ২৪ ঘণ্টায় আরো ১৯ জনের মৃত্যু       চট্টগ্রামে একদিনে মৃত্যু ও শনাক্তে নতুন রেকর্ড       অসুস্থ শ্বশুরের পাশে থাকতে আজই ফিরছেন লিটন দাস       লিবীয় উপকূলে নৌডুবি, ৫৭ অভিবাসীর মৃত্যুর আশঙ্কা       রামেক করোনা ওয়ার্ডে আরো ২১ জনের মৃত্যু       ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরো ১৯ জনের মৃত্যু      
প্রিন্ট সংস্করণ
বাজেট পাসের পরেই এমপিওর আবেদন
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শর্ত শিথিল করা হচ্ছে: অনলাইন সফটওয়্যার প্রস্তুত
নূরুজ্জামান মামুন
Published : Monday, 14 June, 2021 at 1:42 AM


বাজেট পাসের পরই শুরু হচ্ছে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) অনলাইন আবেদন গ্রহণ। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত ২০১৮ সালের মতো এবারো অনলাইনে সফটওয়্যারের মাধ্যমে আবেদন নেওয়া হবে। এমপিওভুক্তির জন্য এরইমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ নতুন সফটওয়্যার তৈরি করে পরীক্ষামূলক তথ্য আপলোড করে ভুলত্রুটি সংশোধন করেছে। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সফটওয়্যার তৈরির কাজ চলছে। এ বিভাগের সফটওয়্যার প্রস্তুত হলেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে আবেদন নেওয়া শুরু হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।  
বিষয়টি স্বীকার করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক-২) ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির আবেদন যাচাই-বাছাই কমিটির আহ্বায়ক মোমিনুর রশিদ আমিন আজকালের খবরকে বলেন, নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির আবেদন দ্রুত নেওয়া হবে। অনলাইনে আবেদন নেওয়ার জন্য আমাদের সফটওয়্যার তৈরির কাজ শেষ। পরীক্ষামূলকভাবে আমরা কমিটির সদস্যরা তথ্য আপলোড করে দেখেছি। এখন মন্ত্রীকে দেখানো হবে। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সফটওয়্যার তৈরির কাজ শেষ হলেই প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি নিয়ে আবেদন নেওয়া শুরু হবে। তিনি আরো বলেন, এর আগে যোগ্য প্রতিষ্ঠানের অভাবে বরাদ্দ থাকলেও টাকা ফেরত গেছে। এবার এমপিও নীতিমালায় শর্ত শিথিল করায় অনেক যোগ্য প্রতিষ্ঠান পাওয়া যাবে। নীতিমালার শর্ত অনুযায়ী সফটওয়্যার তৈরি করা হয়েছে। কেউ তথ্য গোপন করে এমপিওভুক্ত হয়ে ধরা পড়লে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কতগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেট বিভাজন এখন পর্যন্ত আমরা পাইনি। তবে টাকার কোনো সমস্যা হবে না। শিক্ষার নানা খাত রয়েছে। সেখাত থেকেও সরকার ইচ্ছে করলে এমপিওভুক্তির জন্য বরাদ্দ দিতে পারে।     
আগামী অর্থ বছরের বাজেটে এমপিওখাতে কত টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে অর্থমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রীসহ দায়িত্বশীল কেউ স্পষ্ট করেননি। তবে সূত্র জানিয়েছে, নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জন্য দুইশত কোটি এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের জন্য ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ বরাদ্দ বাড়ানের জন্য চেষ্টা করছে। যে কারণে বাজেট পাসের আগে কেউ মুল খুলছেন না।
সর্বশেষ ২০১৮ সালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে অন লাইনে আবেদন নেওয়া হয়। তখন এমপিওভুক্তির জন্য নয় হাজার ৪৯৫টি প্রতিষ্ঠান অনলাইনে আবেদন করে। ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর ২৭৩০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। পরে প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্রের হার্ড কপি যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্তভাবে দুই হাজার ৬১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছিল। নিয়োগে ত্রুটি থাকায় এরমধ্যে বহু প্রতিষ্ঠান রয়েছে যার একজন শিক্ষক-কর্মচারীও এখন পর্যন্ত এমপিওভুক্ত হতে পারেননি। ২০১৯ সালের শেষ দিকে বিশেষ ক্ষমতা বলে সরকার আরো সাতটি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করেছিল। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত এমপিওভুক্তির তালিকা থেকে শতাধিক প্রতিষ্ঠান বাদ দেওয়া হয়েছিল। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এমপিও নীতিমালার শর্তপূরণ না করেই তালিকাভুক্তির প্রমাণ পায় চূড়ান্ত বাছাই কমিটি। এছাড়া যুদ্ধাপরাধীসহ বিভিন্ন স্পর্শকাতর মামলার আসামিদের নামে প্রতিষ্ঠিত কিছু প্রতিষ্ঠানও বাদ দেওয়া হয়। ওই সময়ে সরকার ঘোষণা করেছিল, এমপিওভুক্তি চলমান প্রক্রিয়া। প্রতিবছরই যোগ্য প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে। কিন্তু এমপিও নীতিমালা সংশোধন করতে প্রায় দুই বছর সময় পার করে কমিটি। নীতিমালার কঠোর শর্তের কারণে ২০১৯-২০ অর্থ বছরে এমপিও খাতে বরাদ্দ চার শত কোটি টাকার বেশি ফেরত যায়। তখন নন-এমপিও শিক্ষকরা শহর ও গ্রামের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে বৈষম্য দূর করতে নীতিমালা সংশোধনের দাবি জানান। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এমপিও নীতিমালা সংশোধন করে গত মার্চে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে । কিন্তু অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতামত ছাড়া কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ সংশোধিত নীতিমালা জারি করে তোপের মুখে তা প্রত্যাহার করে নেয়। এখন পর্যন্ত সংশোধিত নীতিমালা জারি করতে পারেনি।
সূত্র জানায়, গত দুই বছরে শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একাডেমিক স্বীকৃতি দিয়েছে মন্ত্রণালয়। সংশোধিত নীতিমালায় একাডেমিক স্বীকৃতির জন্য মার্কিং তুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে একাডেমিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সকল প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। সব মিলিয়ে বর্তমানে সারা দেশে সাত হাজারের বেশি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে পৌনে দুই লাখ শিক্ষক-কর্মচারী কর্মরত আছেন।
বেসরকারি স্কুল ও কলেজের সংশোধিত এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তিতে পাসের হার ও পরীক্ষার্থীর সংখ্যা শিথিল করা হয়েছে। ১০০ নম্বরের গ্রেডিংএর মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তিতে একাডেমিক স্বীকৃতিতে ২৫ নম্বর তুলে দেওয়া হয়েছে। পাবলিক পরীক্ষায় পাসের হার ২৫ নম্বরের স্থলে ৪০ করা হয়েছে। অন্য ক্যাটাগরির ২৫ নম্বরের স্থলে ৩০ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের নামে প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে না। ফৌজদারী অপরাধে দুই বছরের বেশি সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তির নামের প্রতিষ্ঠানও এমপিওভুক্ত করা হবে না। নেতিবাচক নামের কারনে সমাজে প্রভাব পড়তে পারে এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির আওতায় আসবে না।
এমপিওভুক্তিতে পাসের হারে শিথিল: এমপিওভুক্তির জন্য সিটি কর্পোরেশন এলাকার নিম্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৩৫ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ও পাসের হার ৭০ শতাংশ, জেলা শহরে ৩৫ জন পরীক্ষার্থী ও পাসের হার ৬৫ শতাংশ, মফস্বলে ২৫ জন পরীক্ষার্থী ও পাসের হার ৬০ শতাংশ। সিটি কর্পোরেশন ও জেলা শহরের মাধ্যমিক স্কুলে পরীক্ষার্থী ও পাসের হার একই। তবে মফস্বল এলাকায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ঠিক থাকলেও পাসের হার কমিয়ে ৫৫ শতাংশ করা হয়েছে। সিটি কর্পোরেশন এলাকায় উচ্চমাধ্যমিকে পরীক্ষার্থী ৬০ জন পাসের হার ৬৫ শতাংশ, জেলা শহরে পরীক্ষার্থী ৬০ ও পাসের হার ৫৫ শতাংশ ও মফস্বলে ৪৫ জন পরীক্ষার্থী ও পাসের হার ৫০ শতাংশ। সিটিতে স্নাতক (পাস) স্তরে পরীক্ষার্থী ৬০ ও পাসের হার ৬০ শতাংশ, জেলা শহরে পরীক্ষার্থী ৬০জন ও পাসের হার ৫০ শতাংশ ও মফস্বল এলাকায় ৫০ জন পরীক্ষার্থী ও পাসের হার ৪৫ শতাংশ। তবে সিটি ও  জেলা শহরের মহিলা কলেজের ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ৫০ জন নির্ধারণ করা হয়েছে।  
শিক্ষার্থীর সংখ্যায় কঠোরতা: এপিওভুক্তির জন্য নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় (ষষ্ঠ থেকে অষ্টম) শহরে (সিটি কর্পোরেশন ও জেলা শহর) এলাকায় তিন শ্রেণিতে ১২০ জন ও মফস্বল এলাকায় ৯০ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। মাধ্যমিক স্তরে (ষষ্ঠ থেকে দশম) শহরে ২০০ জন ও মফস্বলে ১৫০ জন, উচ্চমাধ্যমিক স্তরে (ষষ্ঠ থেকে দাদ্বশ) শহরে ২৬০ জন (উচ্চ মাধ্যমিকের শুধু বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীর সঙ্গে স্কুলের শিক্ষার্থী), (উচ্চ মাধ্যমিকের শুধু মানবিক/ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীর সঙ্গে স্কুলের শিক্ষার্থী), ৩৪০জন (উচ্চমাধ্যমিকের মানবিক/ব্যবসায় শিক্ষার সঙ্গে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীসহ সঙ্গে স্কুলের শিক্ষার্থী)। একই স্তরের উচ্চমাধ্যমিকে শুধু বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীর সঙ্গে স্কুলের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২০০ জন, উচ্চমাধ্যমিকে শুধু মানবিক/ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীর সঙ্গে স্কুলের শিক্ষার্থী ২১০ জন,  উচ্চমাধ্যমিকের মানবিক/ব্যবসায় শিক্ষার সাথে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীসহ সঙ্গে স্কুলের শিক্ষার্থী মোট ২৬০ জন।
উচ্চমাধ্যমিক কলেজ শহর এলাকায় শুধু বিজ্ঞান বিভাগে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে ৩৫ জন করে মোট ৭০ জন। মানবিক বা ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের জন্য দুই শ্রেণিতে ৪৫ জন করে মোট ৯০ জন। এই স্তরের শহরের মহিলা কলেজের জন্য ৭০ জন।  মানবিক  ও ব্যবসায় শিক্ষা দুটি বিভাগ থাকলে ১৮০জন। এই স্তরের মহিলা কলেজের জন্য ১৪০ জন।  শহরের কলেজে তিনটি বিভাগ থাকলে মোট ২৫০ জন ও মহিলা কলেজে ২০০ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। একই স্তরের মফস্বল কলেজে শুধু বিজ্ঞান বিভাগের জন্য ৬০ জন ও মহিলা কলেজের ক্ষেত্রে ৫০জন, মানবিক বা ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ক্ষেত্রে ৮০ জন ও মহিলা কলেজে ৬০ জন। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থাকলে ১৬০ জন ও মহিলা কলেজের ক্ষেত্রে ১২০ জন। মফস্বলের কলেজে তিন বিভাগের জন্য ২২০ জন ও মহিলা কলেজের জন্য ১৭০ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে।
শহরের ডিগ্রি কলেজের ক্ষেত্রে শুধু বিজ্ঞান বিভাগের জন্য ২৫০ শিক্ষার্থী (ডিগ্রি তিন বর্ষে ৩০ জন করে ৯০ জন ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে ১৬০ জন) মহিলা কলেজের ক্ষেত্রে প্রতিবর্ষে ২৫ জন করে ২০৫ জন। শহরের ডিগ্রি কলেজে মানবিক বা ব্যবসায় বিভাগের জন্য প্রতিবর্ষে ৪০ জন করে ১৬০ জনসহ উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের ১৬০ জন মোট ২৮০ জন। মহিলা কলেজের ক্ষেত্রে ডিগ্রির প্রতিবর্ষে ৩০ জন করে মোট ২২০ জন (উচ্চ মাধ্যমিকসহ)।
শহরের ডিগ্রি কলেজে মানবিক বা ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের সঙ্গে বিজ্ঞান বিভাগের জন্য প্রতিবর্ষে ৪০ জন করে দুই বিভাগে ২৪০ জনসহ উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের ১৬০ জন মোট ৪০০ জন। মহিলা কলেজের ক্ষেত্রে ৩১০জন। শহরের ডিগ্রি কলেজে তিনটি বিভাগ থাকলে উচ্চ মাধ্যমিকসহ মোট ৪৯০ জন শিক্ষাথী থাকতে হবে। মহিলা কলেজের ক্ষেত্রে ৩৮৫ জন। মফস্বলের ডিগ্রি কলেজের ক্ষেত্রে শুধু বিজ্ঞান বিভাগের জন্য ২১৫ শিক্ষার্থী (ডিগ্রি তিন বর্ষে ২৫ জন করে ৭৫ জন ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে ১৪০ জন)। মহিলা কলেজের ক্ষেত্রে প্রতিবর্ষে ২০ জন করে মোট ১৭০ জন। মানবিক বা ব্যবসায় বিভাগের জন্য প্রতিবর্ষে ৩৫ জন করে ১০৫ জনসহ উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের ১৪০ জন মোট ২৪৫ জন। মহিলা কলেজের ক্ষেত্রে ডিগ্রির প্রতিবর্ষে ২৫ জন করে মোট ১৮৫ জন (উচ্চ মাধ্যমিকসহ)।
মফস্বলের ডিগ্রি কলেজে মানবিক বা ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের জন্য প্রতিবর্ষে ৩৫ জন। এর সঙ্গে বিজ্ঞান বিভাগের জন্য প্রতিবর্ষে ২৫ জন করে দুটি বিভাগের ১৮০ জনসহ উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের ১৪০ জন মোট ৩২০ জন। মহিলা কলেজের ক্ষেত্রে ২৪৫ জন। মফস্বলের ডিগ্রি কলেজে তিনটি বিভাগ থাকলে উচ্চ মাধ্যমিকসহ মোট ৪২৫ জন শিক্ষাথী থাকতে হবে। মহিলা কলেজের ক্ষেত্রে ৩২০ জন।
নন এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার আজকালের খবরকে বলেন, মফস্বল এলাকার কলেজের পক্ষে নতুন নীতিমালার শিক্ষার্থীর শর্ত পূরণ করা সম্ভব হবে না। আগের নীতিমালার চেয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা আরো বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই শর্তের কারণে বহু বছর ধরে পাঠদান চালিয়ে আসা কলেজগুলো এমপিওর সুযোগ বঞ্চিত হয়ে এক সময়ে বন্ধ হয়ে যাবে। তবে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ও পাসের হারের শর্ত শিথিল করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
নীতিমালার কঠোর শর্ত প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক-২) মোমিনুর রশিদ আমিন বলেন, কলেজের একটি শ্রেণিতে ৩০-৪০ জন শিক্ষার্থী থাকবে না সেসব প্রতিষ্ঠানকে সরকার কেন এমপিওভুক্ত করবে? গুনগত শিক্ষা দিলে শিক্ষার্থী সংকট হওয়ার কথা না। সরকারি সুবিধা পেতে হলে শর্ত পূরণ করতে হবে। এনএমএস।






সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : হাউস নং ৩৯ (৫ম তলা), রোড নং ১৭/এ, ব্লক: ই, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ফোন: +৮৮-০২-৪৮৮১১৮৩১-৪, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮
ই-মেইল : বার্তা বিভাগ- [email protected] বিজ্ঞাপন- [email protected]
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক আজকালের খবর
Web : www.ajkalerkhobor.net, www.ajkalerkhobor.com